বিজ্ঞাপন

রোববার থেকে পরীক্ষায় অংশ নেবে সেই মেয়েটি

মায়ের হঠাৎ অসুস্থতায় এইচএসসির প্রথম দিন সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেননি রাজধানীর ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী আনিসা আরিফা। অনেক কাকুতি-মিনতি করলেও তাকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে বহু মানুষ তাকে পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান। পরে শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, তার বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনা করা হবে।

মায়ের অসুস্থতার পাশাপাশি নিজের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝড় সামলে আনিসা এখন বাকি পরীক্ষাগুলো দিতে প্রস্তুত। আগামীকাল রোববার (২৯ জুন) বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় অংশ নেবেন তিনি।

শনিবার (২৮ জুন) আনিসা জানান, বাংলা দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি এবং রোববার যথাসময়ে কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

একই কথা জানিয়েছেন তার মা মুসলিমা আহমেদ সুবর্ণা এবং কলেজের অধ্যক্ষ মো. আসাদুজ্জামানও।

আনিসার মা বলেন, আমি আগের চেয়ে অনেকটা ভালো আছি। আমার মেয়ে আগামীকাল (রোববার) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। সে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রাজধানীর মিরপুর-১৩ নম্বরে সেলিনা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে তিনি সেদিন রাত ৮টার দিকে বাসায় ফিরেছেন।

কলেজের অধ্যক্ষ মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ঘটনার পর আমরা কলেজ থেকে সহকারী অধ্যাপক কামরুল ইসলামকে আনিসার বাসায় পাঠিয়েছিলাম। তিনি গিয়ে খোঁজখবর নেন। তখন আনিসার মা ঘুমিয়েছিলেন, তাই তাকে বিরক্ত করা হয়নি। পরে আনিসার সঙ্গেই আমাদের কথা হয়েছে। সে জানিয়েছে, কালকের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে এবং পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতেও সময়মতো কেন্দ্রে যাবে।

ঘটনার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা বোর্ডের সঙ্গে কলেজ কর্তৃপক্ষের কোনো যোগাযোগ হয়েছিল কি না জানতে চাইলে অধ্যক্ষ বলেন, আমার ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, শিক্ষা উপদেষ্টার পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : মাকে হাসপাতালে রাখতে গিয়ে দেরি, পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকতে না পেরে অঝোরে কাঁদলেন মেয়েটি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন