শহীদ জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন ও ড্যাবের কেন্দ্রীয় নেত্রী জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা বলেছেন, আমাকে দলীয় মনোনয়ন এ জন্যই দিবেন, কারণ আমি ২০১৮ সালে পালাইনাই, দলের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করি নাই।
এছাড়াও তিনি বলেন, দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে। ভাল জায়গায় আসতে হলে ঘরে বসে থাকলে হবেনা, দলের জন্য কাজ করতে হবে। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের ভোট বাড়াতে সবাইকে কাজ করতে হবে। ৭ জুলাই বিকেলে শেরপুর সদর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত ইউনিয়ন বিএনপির নেতাদের নিয়ে এক সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন।

জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব মো. হযরত আলীর সভাপতিত্বে তার শিংপাড়াস্থ বাসভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যক্ষ মামুনুর রশীদ পলাশ, যুগ্ম-আহ্বায়ক পিপি এডভোকেট আব্দুল মান্নান ও সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ দল ও ১৪ ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে শেরপুরের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার জন্য বলেছেন। আমি সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের অগ্নিকন্যা খেত সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার জন্য কাজ করবো। কারণ দলের জন্য তার অবদান অপরিশীম।
সদস্য সচিব মামুনুর রশীদ পলাশ বলেন, আমরা ৫ আগষ্টের পরের নেতা না, ৫ আগষ্টের আগের নেতা। কাজেই আমাদের ধাক্কা দিয়ে কেউ সরাতে পারবে না। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাদেরকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা যথাযথভাবে পালন করবো।
সভাপতির বক্তব্যে আলহাজ্ব মো. হযরত আলী বলেন, আপনারা জানেন বিগত জালেম সরকারের নির্যাতনের কারণে আমার সবকিছুই শেষ। আমার মেয়ে মেডিকেল কলেজে শিক্ষকতা করতো, সেই চাকরিটাও কেড়ে নিয়ছিলো। আমরা আশা করবো, সামনে আপনারা আমাদের পাশে থাকবেন।
সভা শেষে সারা শহরে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের জন্য লিফলেট বিতরণ করা করা হয়। লিফলেট বিতরণ শেষে শহরের থানা মোড়ে এক পথ সভায় বিএনপি নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য রাখেন।


