বিজ্ঞাপন

জাপার ৩ নেতাকে অব্যাহতি দেয়া অবৈধ ও স্বৈরাচারী আচরণ

মুজিবুল হক চুন্নু অভিযোগ করেছেন, তিনিসহ ৩ নেতাকে জাতীয় পার্টি থেকে অব্যাহতি দেয়ার অন্যতম কারণ গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন ফরমের টাকার হিসাব চাওয়া।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকালে রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন। তার মতে, দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের অব্যাহতি দেয়া অবৈধ ও স্বৈরাচারী আচরণ।

জাতীয় পার্টির আগামী কাউন্সিলে তারাও অংশ নেবেন এবং দলকে সুসংগঠিত করে নির্বাচনমুখী করবেন বলেও জানিয়েছেন মুজিবুল হক চুন্নু।

বিজ্ঞাপন

গুলশানে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে রুহুল আমিন হাওলাদার দলের চেয়ারম্যানের উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন— কাদের সাহেব কেন এই কাজটি করলেন? তার কী হয়েছিল? তার অসুস্থতা আছে না কি, এটা পরীক্ষা করার প্রয়োজন আছে। কারণ, মানুষকে ভালোবেসে আপন করা, সহযোগিতা নেওয়া, সহযোগিতা করা, এটা কঠিন কাজ। আর এখানে ইজি গো-ইন, আপনি আমাদের চিঠি দিলেন। আমরা চিঠি পেয়েছি। একজন সুস্থ রাজনীতিবিদ এই ধরনের কাজ করতে পারে না। 

আনিসুল ইসলাম মাহমুদের দাবি, তারা এখনও স্বপদে বহাল আছেন। তাই অব্যহতির সিদ্ধান্ত বেআইনি। এ সিদ্ধান্ত বাতিল করে দলের কাউন্সিলের দাবি তোলেন তিনি।

আনিসুল ইসলাম মাহমুদের অভিযোগ, মৃত্যু পথযাত্রী হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদকে দিয়ে জোর করে পার্টির চেয়ারম্যান পদ বাগিয়ে নেন জি এম কাদের।

কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, “জাতীয় পার্টি ছোট হতে হতে আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। একদম ধ্বংসের কিনারায়। সেখান থেকে জাতীয় পার্টিকে কীভাবে উদ্ধার করা যায়, কী ভাবে জাতীয় পার্টিকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারি, রাজনীতিতে আবার আমাদের অবস্থান ফিরে পেতে পারি, সেই জন্য আজ এই সম্মেলন আহ্বান করা হয়েছে।”

প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় পার্টির মহাসচিব পদ থেকে মুজিবুল হক চুন্নুকে সরিয়ে দেয়ার ঘণ্টাখানেকের কিছুক্ষণের মধ্যেই দলটির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, কো-চেয়ারম্যান এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারকে প্রাথমিক সদস্যসহ সব পদ-পদবি থেকে অব্যাহতি দেন জি এম কাদের।

পড়ুন : চুন্নুর পর আনিসুল ও হাওলাদারকে জাপা থেকে অব্যাহতি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন