চট্টগ্রামে জুড়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। সরকারী হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু ওয়ার্ড না থাকায় উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ। চট্রগ্রামে প্রথমবারের মতো দুইজনের শরীরে জিকা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।
পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরের জুন জুলাই মাসের তুলনায় চট্টগ্রামে ডেঙ্গু রোগির সংখ্যা তিন চারগুন। সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র বলছে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৫৩০ জনেরও বেশি। এর মধ্যে মারা গেছেন ২ জন। ঘরে চিকিৎসা নিচ্ছেন এরকম আক্রান্তের সংখ্যাও কম নয়।
প্রশ্ন হচ্ছে ডেঙ্গু মোকাবেলায় কতটা প্রস্তুত চট্টগ্রাম?
সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, চট্টগ্রামের সরকারি বড় দুটি হাসপাতাল জেনারেল হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, যার একটিতেও নেই আলাদা কোন ডেঙ্গু ওয়ার্ড। নেই জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কোন কার্যক্রম।
বর্ষার কারণে জিমিয়ে পড়েছে সিটি কর্পোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রম। এ অবস্থায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কিত সাধারন মানুষ।
রোগী আসলে তাদের সব ধরণের প্রস্তুতি আছে বলে জানিয়ে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের এই চিকিৎসক ডেঙ্গু লক্ষণ দেখলে রোগীকে দ্রুত সরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসার আহবান জানান।
এদিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন শুনালেন আশার বানী। নাগরিককে জানান, হাসপাতালের তিনটি মেডিসন ওয়ার্ডে ডেঙ্গু কর্নার করা হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করেন এক সপ্তাহের মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেলে চালু হচ্ছে আলাদা ডেঙ্গু ওয়ার্ড।
এদিকে চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো দুজনের শরীরে জিকা ভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে একজন পুরুষ, একজন নারী।
ভ্যাপসা গরমের পর থেমে থেমে বৃষ্টি এমন আবহাওয়াতে জীবাণুবাহী এডিস মশার বংশবিস্তার জন্য উত্তম সময়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এডিস মশার বংশ বিস্তার থামানো গেলে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এমনিতেই কমে যাবে।
পড়ুন: আগামিকাল থেকে এনসিটি পরিচালনা করবে চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেড
এস/


