বিজ্ঞাপন

মুরাদনগরের ট্রিপল মার্ডারঃ আট আসামির তিন দিনের রিমান্ড

কুমিল্লার মুরাদনগরের কড়ইবাড়ি গ্রামে তিনজনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় সেনাবাহিনী ও র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার আট আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বুধবার (৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা ডিবি পুলিশের নিরাপত্তায় কারাগার থেকে তাদের কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১১ এ হাজির করা হয়। শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুমিনুল হক তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ আট আসামির সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এই পর্যন্ত সেনাবাহিনী ও র‌্যাব যৌথভাবে আটজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। এরই মধ্যে মামলাটি জেলা গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে।
কুমিল্লা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মো. আব্দুল্লাহ বলেন, গ্রেপ্তার আট আসামির সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছিলাম। আদালত তিন দিন রিমান্ড দিয়েছেন। তদন্ত শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রিমান্ড শেষে আট আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার এজাহারভুক্ত তিন নম্বর আসামি ইউপি সদস্য বাচ্চু মিয়া আদালতে স্বেচ্ছায় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মতি জানালে তার বক্তব্য রেকর্ড করেন বিচারক।
এর আগে গত ৬ জুলাই বিকেলে র‌্যাবের হাতে আটক ছয় আসামিকে কুমিল্লার আদালতে হাজির করে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ। শুনানি শেষে আদালতের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫ এর বিচারক সিদ্দিক আজাদ তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।
অন্যদিকে, ৫ জুলাই সন্ধ্যায় সেনাবাহিনীর হাতে আটক নাজিমুদ্দিন বাবুল ও ছবির আহমেদ নামে দুই আসামিকেও পুলিশের মাধ্যমে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত-১১ এর বিচারক মুমিনুল হক তাদেরও কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, গত ৪ জুলাই সন্ধ্যায় মুরাদনগরের কড়ইবাড়ি এলাকায় মাদক কারবারের অভিযোগ তুলে নিজ বাড়িতে রোকসানা বেগম রুবি, তার মেয়ে জোনাকি আক্তার ও ছেলে রাসেল মিয়াকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় নিহত রুবির বড় মেয়ে রিক্তা আক্তার বাদী হয়ে ৩৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২৫ জনের বিরুদ্ধে বাঙ্গরা বাজার থানায় হত্যা মামলা করেন।
পরে গত ৬ জুলাই বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত বাচ্চু মিয়া, রবিউল আওয়াল, আতিকুর রহমান, মো. বায়েজ মাস্টার, দুলাল ও আকাশকে আদালতে হাজির করা হলে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়।
এর মধ্যে বাচ্চু মিয়া আদালতে হত্যার ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন এবং জবানবন্দি রেকর্ডের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
কুমিল্লা আদালত পরিদর্শক সাদেকুর রহমান জানান, এ মামলায় মোট আটজন গ্রেপ্তার হয়ে আদালতে হাজির হয়েছেন। এর মধ্যে শনিবার সন্ধ্যায় দু’জন এবং রবিবার বিকেলে ছয়জনকে আদালতে তোলা হয়। আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার ৩ নম্বর আসামি বাচ্চু মিয়ার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আদালতে রেকর্ড করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: কুড়িগ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত জেরে হামলা, থানায় অভিযোগ

দেখুন: পরিবহন খাতের দুর্নীতিকে শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন