১৫/০২/২০২৬, ০:১৬ পূর্বাহ্ণ
21 C
Dhaka
১৫/০২/২০২৬, ০:১৬ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং পরকীয়ার জেরে স্ত্রীকে ১১ টুকরো করে হত্যা

চট্টগ্রামে স্ত্রীকে ১১ টুকরে করে হত্যার ঘটনায় উঠে এসেছে দাম্পত্য কলহ এবং পরকীয়া। র‍্যাবের জালে ধরা পড়ে স্ত্রী ফাতেমা হত্যাকান্ডের স্বীকারোক্তি দেন পাষন্ড স্বামী সুমন। স্বীকার করেন পরকীয়ার জেরে স্ত্রীকে খুন করেন।
সামাজিক অপরাধ রোধে পরিবার এবং অন্যান্য অংশীদারদের সক্রিয় ভূমিকা থাকা প্রয়োজন বলে মনে করে সচেতন নগরবাসী।
জানা যায়, ফাতেমা -সুমনের দশ বছরের সংসার। দাম্পত্যজীবনে রয়েছে এক সন্তান। প্রবাসী সুমন বছর বছরখানেক আগে দেশে ফিরে আসার পর থেকেই শুরু হয় পারিবারিক কলহ। এ নিয়ে উভয়ের পরিবার একাধিকবার মীমাংসার চেষ্টা চালায়।
নগরীর বায়েজিদ পাহাড়িকা হাউজিং সোসাইটির এফজে টাওয়ারের দশম তলায় বসবাস এই দম্পতির।
গত বুধবার একমাত্র সন্তানকে আত্মীয়ের বাড়ি পাঠিয়ে দেয় সুমন। এরপর রাতে স্ত্রী ফাতেমাকে হত্যার ছক আঁকে। হত্যা করে লাশ ১১ টুকরো করে।

বিজ্ঞাপন

পাইপ লাইনে অস্বাভাবিক শব্দ শুন ভবনের সিকিউরিটি গার্ড মশিউর বাসায় গেলে সুমন তাকে ঢুকতে বাধা দেয়। সন্দেহ হলে জোর করে বাসায় ঢুকে রক্তের দাগ ও বাথরুমে রক্তমাখা কাপড় দেখতে পান সিকিউরিটি গার্ড। স্থানীয়দের খবর দিতে গেলে সুমন বাসার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান।

এদিকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সুমনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব ৭। স্বীকারোক্তিতে উঠে আসে ফাতেমাকে খুন করে লাশ ১১ টুকরো করে ক্ষান্ত হননি সুমন। লাশের হৃদপিণ্ড পাকস্থলী সহ শরীরের হাড়বিহীন অংশকে অসংখ্য টুকরো করে কমোডে ফ্লাস করে।
বিদেশ থেকে আসার পর দাম্পত্য কলহ লেগেই ছিল। সট- কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান, অধিনায়ক, র‍্যাব ৭ জানান, জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে ঘটনার রাতে বাসায় কয়েকজন যুবকের আসাকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে স্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন সুমন।
হৃদয়বিদারক এই হত্যাকাণ্ডে আসামি সুমনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী এলাকাবাসীর।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই বাদী হয়ে বায়েজিদ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

পারিবারিক যোগাযোগ এবং সামাজিক মনোভাব পরিবর্তন করতে সচেষ্ট হলে পরকীয়া সহ সামাজিক অপরাধ রোধ সম্ভব বলে মনে করেন বিশিষ্ট মহল।

পড়ুন: সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় এইচএসসি পরিক্ষার্থীর মৃত্যু

দেখুন: ম*রতে বসেছে ফরিদপুরের কুমার নদ | 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন