১০/০২/২০২৬, ২০:১৩ অপরাহ্ণ
24 C
Dhaka
১০/০২/২০২৬, ২০:১৩ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

গোপালগঞ্জের শহর জুড়ে সুনসান-নীরবতা, মাঠে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির গাড়ি বহরে হামলা কে কেন্দ্র করে পুলিশ-সেনাবাহিনী ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে টানা ৪ ঘন্টা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর সুনসান নীরবতা বিরাজ করছে জেলা শহরে।

বুধবার (১৬ জুলাই) রাত আটটার পর শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। শহরে সাধারণ মানুষ না থাকলেও বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে। আতঙ্ক, উদ্বেগ ও উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছে সাধারণ মানুষ। আবার গ্রেফতার আতঙ্কে শহরতলীর বিভিন্ন এলাকা থেকে পুরুষদের বাড়ি ছাড়ারও খবর পাওয়া গেছে।

গোপালগঞ্জ শহরতলীর ঘোষেরচর দক্ষিণপাড়া এলাকার দিনমিয়া মোল্লা বলেন, সারাদিন যে ঘটনা ঘটেছে তা নিয়ে খুব আতঙ্কের মধ্যে আছি। গোলাগুলি হইছে কখন জানি পুলিশ একচাইটে (একচেটিয়া) চাষ (গ্রেফতার) শুরু করে।


এর আগে দুপুরের দিকে গোপালগঞ্জে সমাবেশ শেষে মাদারীপুর ফেরার পথে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাড়ি বহরে হামলা চালায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এতে রণক্ষেত্রে রূপ নেয় গোপালগঞ্জ। এ ঘটনায় গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করা হয়েছে। বুধবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যায় সরকারের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেন।

এদিকে সংঘর্ষ ৪ জন নিহত ও পুলিশ সাংবাদিকসহ ১৫ জন আহত হয়েছে । নিহতেরা হলেন- গোপালগঞ্জ শহরের উদয়ন রোডের বাসিন্দা দীপ্ত সাহা (২৫), কোটালীপাড়ার রমজান কাজী (১৮), টুঙ্গীপাড়ার সোহেল রানা (৩০) ও গোপালগঞ্জ সদরের ইমন (২৪)। গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জীবিতে বিশ্বাস নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, নিহতের সঠিক তথ্য আমরা হাতে পাইনি। তবে যতটুকু জেনেছি ৪ জন নিহত। শহর জুড়ে বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। শহরের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশ ঘিরে হামলা-সংঘর্ষে নিহত ৪

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন