আসন্ন ১৯ জুলাই ঢাকার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশ সফল করতে চুয়াডাঙ্গায় সংবাদ সম্মেলন করেছে দলটির জেলা শাখা। বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) দুপুর ১২টায় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন জামায়াতের চুয়াডাঙ্গা জেলা আমির মাওলানা রুহুল আমিন। তিনি বলেন, দেশব্যাপী শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯ জুলাইয়ের জাতীয় সমাবেশ একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার, মৌলিক অধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আমাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হবে।
তিনি জানান, চুয়াডাঙ্গা জেলা থেকে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নেতাকর্মী ওই সমাবেশে অংশ নেবেন। এ লক্ষ্যে স্থানীয় পর্যায়ে ইতোমধ্যে গণসংযোগ, প্রস্তুতিসভা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের অন্যান্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তারা বলেন, সমাবেশে অংশ নিতে স্থানীয় নেতাকর্মীরা ইতোমধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দলটির নেতারা জানান, তারা শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে অংশ নেবেন এবং কোনো ধরনের উসকানি বা সহিংসতা এড়িয়ে চলবেন।
এদিকে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন, জাতীয় সমাবেশে সারাদেশ থেকে ১০ লাখের বেশি নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করবেন বলে তাদের প্রত্যাশা। এ লক্ষ্যে ট্রেন ও লঞ্চের পরিবর্তে প্রায় ১০ হাজার বাস ভাড়া করা হয়েছে। পাশাপাশি, সমাবেশস্থলে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রায় ৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন থাকবে বলেও তিনি জানান।
জামায়াতের দাবি, ১৯ জুলাইয়ের এই জাতীয় সমাবেশ হবে দলের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক জমায়েত। সমাবেশ সফল করতে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় গণসংযোগ, মিছিল ও পথসভা অব্যাহত রয়েছে।
পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় যুবদলের বিশাল বিক্ষোভ মিছিল’আবারো আ.লীগ মাথা চাড়া দিলে কঠিন জবাব দেবে যুবদল’
এস/


