রাশিয়ার দূরপ্রাচ্যে একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে সব আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। বিমানটিতে যাত্রী ও ক্রুসহ ৪৯ জন আরোহী ছিলেন। দুর্ঘটনার পরপরই পোড়া বিমানের ধ্বংসাবশেষের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
এদিকে বিমান দুর্ঘটনার পর রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরটি আট সেকেন্ডের একটি ভিডিও প্রকাশ করে। ওই ভিডিওতে গভীর জঙ্গলের মাঝে ঘন ধোঁয়ায় মোড়া বিমানের ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়।
রাশিয়ার আমুর অঞ্চলের গভর্নর ভ্যাসিলি অরলভ জানান, ব্লাগোভেশচেনস্ক শহর থেকে বিমানটি চীনের সীমান্তবর্তী টাইন্দা শহরে যাচ্ছিল। মাঝপথে এটি রাডার থেকে হারিয়ে যায়। প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, বিমানটিতে ৫ শিশুসহ ৪৩ জন যাত্রী ছিলেন এবং ৬ জন ক্রু ছিলেন।
গভর্নর অরলভ নিশ্চিত করেছেন, সবারই মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে স্থানীয় জরুরি মন্ত্রণালয় জানায়, সাইবেরিয়া-ভিত্তিক আঙ্গারা নামক একটি বিমান সংস্থা পরিচালিত বিমানটি চীন সীমান্তবর্তী আমুর অঞ্চলের একটি শহর টিন্ডায় তার গন্তব্যের দিকে যাওয়ার সময় রাডার স্ক্রিন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
আঞ্চলিক গভর্নর ভ্যাসিলি অরলভ বলেছেন, প্রাথমিক তথ্যানুসারে, বিমানটিতে পাঁচ শিশুসহ ৪৩ জন যাত্রী এবং ছয়জন ক্রু সদস্য ছিলেন।
টেলিগ্রামে তিনি লিখেছেন, ‘বিমানটি অনুসন্ধানের জন্য প্রয়োজনীয় সকল বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।’
মূলত নিখোঁজ বিমানটির খোজে অনুস্ধানের সময় ধ্বংসাবশেষটি আমুর অঞ্চলের একটি দুর্গম বনাঞ্চলে পাওয়া যায় এবং সেখানে বিমানের ফিউসেলাজে আগুন জ্বলছিল।
পরে রাশিয়ার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ও জরুরি বিভাগের হেলিকপ্টারসহ একাধিক উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দুর্ঘটনার কারণ এখনো স্পষ্ট নয়, তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।


