১৪/০২/২০২৬, ১৬:৪৫ অপরাহ্ণ
28 C
Dhaka
১৪/০২/২০২৬, ১৬:৪৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুদকের অভিযান : অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে

শরীয়তপুর গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের
হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীদের দুপুরে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন ও মজুত ঔষধ রোগীদের না দিয়ে বাইরের দোকান থেকে কিনতে বাধ্য করা এমএসআর সামগ্রী ক্রয়ে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতিসহ নানা কার্যক্রমে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ পায় দুদক টিম। এ নিয়ে সরকারি এ প্রতিষ্ঠানটির ভেতরে-বাইরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত টানা ২ ঘণ্টা চলে এই অনুসন্ধান কার্যক্রম। পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট দুদক টিমের অভিযানের নেতৃত্ব দেন মাদারীপুর সহকারি পরিচালক টিম লিডার আখতারুউজ্জামান ও উপসহকারী পরিচালক মোঃ সাইদুর রহমান।

বিজ্ঞাপন

খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন অভিযানের টিম লিডার দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুউজ্জামান বলেন, প্রথমে বর্হিবিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গে কথা বলে হাসপাতালে বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষন করে তারা ব্যাপক দূর্ণীতির শঙ্কা পেয়ে এ অভিযান শুরু করে।ডাক্তার সংকটসহ প্রতিষ্ঠানটির চিকিৎসাসেবার মান, রোগীদের নিন্মমানের খাবার পরিবেশন,দীর্ঘসময় এক্সরে মেশিন বন্ধ,রুগীর জন্য ঔষধ না দেয়াসহ নানা দুর্ভোগ অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। তিনি আরো জানান, এই প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী (ক্যাশিয়ার) জামাল বিরুদ্ধে যে অভিযোগটি রয়েছে সেটে হলো ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইজিপির মাধ্যমে যে টেন্ডার প্রক্রিয়া হয়েছে ওষুধ ক্রয় ও এম এস আর সামগ্রিক সেখানে সর্বনিম্ন দরদাতাকে না প্রদান করে তার চেয়ে অধিক মূল্যে দাখিলকৃত ব্যক্তিকে ঠিকাদারী কাজ দিয়েছে সেখানে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।এছাড়াও স্বাস্থ্য সহকারী কবির হোসেনের একই ওয়ার্ডের তার স্ত্রীকেও নিয়োগ দিয়েছে যা অবৈধ প্রক্রিয়ায়।

অভিযানকালে দীর্ঘ অনুসন্ধানে প্রতিষ্ঠানটির মাত্র একজন ডাক্তার দিয়ে রুগীদের সেবা দেয়া হচ্ছে ও বহির্বিভাগের টিকেট ৫ টাকার ক্ষেত্রে ১০ টাকা নেওয়ার প্রমাণ মিলেছে। এ ছাড়া স্টক রেজিস্ট্রার অনুযায়ী সরকারি ওষুধ বিতরণের পর অতিরিক্ত ওষুধের মজুদ পাওয়া গেছে। সেইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিতে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে রোগীদের সেবা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সেবাপ্রার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা গেছে। এখন অনুসন্ধান কার্যক্রম পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে হাসপাতালে ভর্তি থাকা কয়েকজন রোগী ও স্বজনরা অভিযোগ করে জানান, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে থাকতে নোংরা পরিবেশে। বাথরুম ব্যবহার করার অনুপযোগী। চড়া দামে ঔষধ কিনতে হয় বাহির থেকে। এখানে অসুস্থ থেকে সুস্থ হতে এসে যেন আরো অসুস্থ হয়ে যেতে হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো.হাফিজুর মিঞা বলেন, দুদক অভিযান চালিয়েছে। তারা অনুসন্ধান করে কী পেয়েছে, তা তারাই বলতে পারবে। এ নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।

পড়ুন: নেত্রকোনায় ভাবী হত্যায় চাচাতো দেবরের মৃত্যুদন্ড

দেখুন: কলসি ভরা স্বর্ণ দেয়ার প্রলোভনে প্রতারণা, ৩ প্রতারক গ্রেপ্তার |

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন