32.2 C
Dhaka
০৫/০৩/২০২৬, ১৩:৪৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সংঘাতে নিহত ১৫

সীমান্ত এবং বিরোধপূর্ণ অঞ্চল এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল (পান্না ত্রিভূজ) নিয়ে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যকার সংঘাতের প্রথম দিন বৃহস্পতিবারে থাইল্যান্ডে নিহত হয়েছেন ১৫ জন এবং আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৪৬ জন। আহতদের মধ্যে থাই সেনাবাহিনীর ১৫ জন সদস্য আছেন।

পাশাপাশি কম্বোডিয়ার সীমান্ত সংলগ্ন বিভিন্ন থাই গ্রামে লোকজন নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে ছুটছেন। সংঘাতের প্রথম দিনেই থাইল্যান্ডের সীমান্ত এলাকায় বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ। শুক্রবার থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এসব তথ্য।

গত শতকের শুরু থেকে সীমান্ত এবং বিরোধপূর্ণ ভূখণ্ড ইমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল নিয়ে বিরোধ চলছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে। বেশ কয়েক দশক ধরে বিরোধ-সংঘাতের পর গত ১৫ বছর ধরে যুদ্ধবিরতিতে ছিল দুই প্রতিবেশী দেশ। কিন্তু বুধবার থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তের কাছে স্থল মাইন বিস্ফোরণে এক থাই সেনা গুরুতর আহত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার সীমান্তবর্তী কম্বোডিয়ার দুই সেনা স্থাপনায় বিমান হামলা চালায় থাইল্যান্ডের যুদ্ধবিমান।

সেই বিমান অভিযানের জবাব দিতে থাইল্যান্ডের দুই সীমান্তবর্তী প্রদেশে রকেট হামলা চালায় কম্বোডিয়ার সেনাবাহিনী। সেই রকেট হামলার জেরেই নিহত, আহত ও বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে থাইল্যান্ডে।

শুক্রবার রাজধানী ব্যাংককে এক সংবাদ সম্মেলনে থাইল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী ফুমথাম ওয়েচায়াচাই বলেন, “আমরা সবসময় প্রতিবেশীদের সঙ্গে আপস ও সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছি, কিন্তু বর্তমান অবস্থায় আমরা থাই সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছি যে তারা যেন পরিস্থিতি অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়।”

“এখনও এটা সীমিত মাত্রার সংঘাতের মধ্যে আছে, কিন্তু উত্তেজনা যদি আরও বাড়ে— তাহলে যে কোনো সময় এই দ্বন্দ্ব-সংঘাতই যুদ্ধের রূপ নেবে,” সংবাদ সম্মেলনে বলেন ওয়েচায়াচাই।

বৃহস্পতিবারের সংঘাতে কম্বোডিয়া থেকে নিয়তের কোনো সংবাদ আসেনি, তবে সেই দেশের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতেও লোকজন নিরাপদ আশ্রয়ের উদ্দেশে বাড়িঘর ছেড়ে ছুটছেন। থাই সীমান্ত থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে কম্বোডীয় গ্রাম সামরাওং-এর বাসিন্দা প্রো বাক (৪১) তাদেরই একজন। এএফপিকে প্রো বাক বলেন, “আমার বাড়ি সীমান্তের খুব কাছে এবং আমি সত্যিকার অর্থেই ভয় পাচ্ছি, কারণ আজ (শুক্রবার) ভোর ৬টা থেকে সীমান্তে গোলাগুলি শুরু হয়েছে।”

“আমি আমার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গ্রাম ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জানি না কবে ফিরতে পারব”, এএফপিকে বলেন প্রো বাক।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: থাইল্যান্ড-কাম্বোডিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় দিনেও চলছে সংঘর্ষ

এস/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন