২৭/০২/২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
30.4 C
Dhaka
২৭/০২/২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

লক্ষ্মীপুরে শিক্ষার্থীসহ ৫ জন হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ২৮ সেপ্টেম্বর

জুলাই-আগস্ট আন্দোলন ঘিরে লক্ষ্মীপুরে শিক্ষার্থীসহ পাঁচ হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে অন্য মামলায় গ্রেফতার তিন আসামিকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

একইসঙ্গে এ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (২৮ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।

এ মামলা আসামিরা হলেন-লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী, সদর উপজেলার দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন জাবেদ ও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন আলম।

আজকে ট্রাইব্যুনালের অন্য সদস্যরা হলেন-অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম।

গত ১৬ জুলাই, জুলাই-আগস্ট আন্দোলন ঘিরে লক্ষ্মীপুরে শিক্ষার্থীসহ পাঁচ হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে অন্য মামলায় গ্রেফতার তিন আসামিকে ২৮ জুলাই হাজিরের নির্দেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে লক্ষ্মীপুরের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়। এদিন আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এবং তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ান।

জানা গেছে, গত বছরের ৪ আগস্ট লক্ষ্মীপুরে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা চালান আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তাদের গুলিতে চার শিক্ষার্থীসহ পাঁচজন শহীদ হন।

তারা হলেন- আল আসাদ আফনান, সাব্বির হোসেন রাসেল, কাউসার হোসেন, ওসমান গণি ও মো. সুজন। এর মধ্যে আফনান শহরের মাদাম ব্রিজ ও অন্যরা তমিজ মার্কেট এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় প্রাইভেট শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্তির দাবিতে লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন

এস/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন