ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাফিক পুলিশের হয়রানি, অতিরিক্ত টাকা আদায়, বিনা কারণে গাড়ি জব্দ এবং লাইসেন্স ইস্যুতে দুর্নীতির অভিযোগে দ্বিতীয় দিনের চলছে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মালিক-শ্রমিকদের কর্মবিরতি। সোমবার সকাল থেকেই এই কর্মসূচি রূপ নেয় অবরোধে। প্রধান সড়ক গুলোতে অবস্থান করে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা সহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। জেলা সদরসহ আশপাশের সড়কে বন্ধ রয়েছে সব ধরনের সিএনজি চলাচল। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী, কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও রোগীরা।
সকাল থেকে বিক্ষুব্ধ চালকরা কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের নন্দনপুর এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে উভয় পাশে প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। অনেকে বাধ্য হয়ে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে রওনা হন। পরে সেখানে সদর মডেল থানার পুলিশ উপস্থিত হয়ে শ্রমিকদের সাথে কথা বলে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মহাসড়ক থেকে অবরোধ তুলে নেন তারা। তবে চলছে তাদের কর্মবিরতি।
জেলা সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. স্বপন মিয়া বলেন, ‘আমাদের দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন চলবে।’ ।’
সদর থানার ওসি মো. মোজাফফর হোসেন জানান, শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। বেলা ২টার দিকে শ্রমিক-মালিক পক্ষকে ডাকা হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের তাদের সাথে আলোচনায় বসবেন।
পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চলছে অনির্দিষ্টকালের সিএনজি চালিত অটোরিকশার কর্মবিরতি
এস/


