সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা সংযোগ সড়কে প্রায় ৩-৪ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে অন্তত খানাখন্দে ভরা। উপজেলা পলাশ বাজার থেকে ধনপুর বাজার পর্যন্ত সড়কটির অবস্থা এতটাই নাজুক যে, এটি দিয়ে চলাচল করা যেন দুঃস্বপ্নের নামান্তর। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন দুই উপজেলার কয়েক লক্ষ মানুষ। বিশেষ করে সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলোকে পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে।
অবস্থা এমন যে, রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া-আসাও হয়ে পড়েছে ঝুঁকিপূর্ণ। এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা খুবই কষ্ট কর হয়ে পড়েছে রাস্তায় বড় বড় গর্ত আর বৃষ্টির পানি জমে পুকুরের মতো হয়ে যাচ্ছে। রাস্তাটির সংস্কারের জন্য স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছে।
সংযোগ রাস্তাটি একেই চিএ দেখা যাচ্ছে রাস্তাটির বিভিন্ন অংশে পিচ-পাথর উঠে গেছে এবং গর্তের সৃষ্টি হয়েছে,যা যানবাহন চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।দুই ইউনিয়নের মাঝে মেইন সড়কের বেহাল দশা।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করছেন, বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত ৮/১০ বছর ধরে এই সড়কটির বেহাল দশায় আমরা এখন মহাবিপাকে আছি,স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী,অসুস্থ রোগী নিয়ে আমরা উপজেলাসহ জেলা সদরে আসতে পারি না,প্রশাসনের নিকট জোড়দাবী জানাই খুব দ্রুত যেন সড়কটির মেরামত করা হয়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কটির কোথাও পিচঢালাই উঠে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত,পলাশ বাজার মুখ হতে ধনপুর বাজার পযন্ত প্রায় ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল অবস্থা। এ নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয় সাধারণ জনগনের জনদূভোগ এ রাস্তা দিয়ে,যাতায়াতকারী ব্যক্তিদের রাতেও সড়ক দিয়ে চলাচল করা অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে বলে জানালেন একাধিক অটোচালকসহ উপজেলাবাসী।
স্হানীয়রা নাগরিক টেলিভিশনকে বলেন, এই সড়কে চলাফেরা করতে অনেক কষ্ট হয়। আমরা এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করি। ভাঙা রাস্তার কারণে গাড়ি প্রায়ই বিকল হয়ে যায়।বেশির ভাগ রাস্তা ভেঙে পিচ উঠে গর্তের কারণে অটো থেকে যাত্রীদের নামিয়ে তারপর গর্ত পাড় হতে হয়।রাতে চলাচল করতে খুবই কষ্ট হয়। গ্রাম হতে সুনামগঞ্জ শহরে যেতে এ রাস্তা দিয়ে যেতে হয় অনেক কষ্ট পোহাতে হয়।হাঁটতে গেলেই হোঁচট খেতে হয়।এ রাস্তাটি অতিদ্রুত মেরামত করার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ভুক্তভোগীরা।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী এলজিইডি’র কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান নাগরিক টেলিভিশনকে বলেন, পলাশ হতে ধনপুর এটি একটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, এটি দীর্ঘ দিন ধরে ভাঙা আছে, আসা করছি যে নভেম্বর অথবা ডিসেম্বরের মধ্যে টেন্ডার সম্পুর্ন হবে, ডিসেম্বর অথবা জানুয়ারীর দিকে এটার কার্যক্রম শুরু হবে।
পড়ুন : সুনামগঞ্জে ৯০টি গরু অদৃশ্য হওয়ার খবর, জেলা জুড়ে নানা প্রশ্ন


