চট্টগ্রামের রাউজানে বিএনপির দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংর্ঘষের ঘটনার পর এবার শুরু হয়েছে ” বাকযুদ্ধ” সদ্য বিলুপ্ত চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম আকবর খোন্দকারের অনুসারীরা দাবী করেছেন, এটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত হামলা এবং এর উদ্দেশ্য ছিল গোলাম আকবরকে হত্যা করা।
অন্যদিকে দলের সব পদ স্থগিত করে কেন্দ্র থেকে দেওয়া চিঠিকে ‘প্রেমপত্র’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী।
গত মঙ্গলবার চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলা বিএনপির দুপক্ষে সংঘর্ষের পর হার্ডলাইনে অবস্থান নেন বিএনপির হাইকমান্ড।
দলটি তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল করেন উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরীর প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলীয় সকল পদ স্থগিত করা হয়। এ ঘটনার পর শুরু হয়েছে দুপক্ষের বাকযুদ্ধ। গোলাম আকবর খন্দকার অনুসারীরা নগরীর নাসিমন ভবনের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বলেন, ঝামেলার আশঙ্কার কথা আগেই প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল।
গোলাম আকবর খোন্দকারের জনপ্রিয়তা দেখে প্রতিপক্ষ শঙ্কিত উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয় এটি সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত হামলা। উদ্দেশ্য ছিল তাকে হত্যা করা।
রাউজান উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, গিয়াস কাদের সমর্থিত সন্ত্রাসীরা এর আগে রাউজানে অন্তত ১৫ জনকে হত্যা করেছে। চাঁদাবাজি, জমি দখল, বালু মহাল ও মাটি কাটার মতো অপরাধে তারা এলাকাজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
এদিকে দলের সব পদ স্থগিত করে কেন্দ্র থেকে দেওয়া চিঠিকে ‘প্রেমপত্র’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী।
সংবাদ সম্মেলনে নিজেকে ‘মাঠের রাজনীতিবিদ’ দাবি করে তিনি বলেন, যারা মাঠের রাজনীতি করে না, তারা খেয়ে না খেয়ে সবসময় ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে।
দলীয় পদ স্থগিত করে তাকে দেওয়া চিঠিকে দুঃখজনক ও অসম্মানজনক এবং কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহলের মদদপুষ্ট উল্লেখ তিনি দলীয় চেয়ারপারসনকে চিঠি দিয়েছেন বলেও জানান গিয়াস উদ্দিন।
এর আগে, মঙ্গলবার রাউজানের সত্তারঘাট এলাকায় বিএনপির দুপক্ষে তুমুল সংঘর্ষ হয়। এতে গোলাম আকবর খোন্দকারসহ অনেক নেতাকর্মী আহত হন।
পড়ুন: রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ থেকে চট্টগ্রামের যুবকের মরদেহ উদ্ধার
এস/


