চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাতুনগঞ্জ বাজার—যা একসময় ছিল দেশের অন্যতম বৃহৎ পাইকারী বাজার। ঐতিহ্যের সাথে জড়িয়ে থাকা এই বাজার সংকটের মুখে। স্বল্প সুদে ঋণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, এবং ব্যবসায়ীদের আস্থা ফেরানো সম্ভব হয়, তাহলে খাতুনগঞ্জ আবারও ফিরে পাবে তার হারানো জৌলুস।
১৮০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত খাতুনগঞ্জ, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে নিকটবর্তী হওয়ায়, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে খুব অল্প সময়েই হয়ে ওঠে দেশের বৃহৎ পাইকারী বাজার। এখানে জন্ম নেয় বহু শিল্প প্রতিষ্ঠান, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
পরিতাপের বিষয় সময়ের সাথে সাথে বদলে গেছে বাজারের চিত্র। আজ, একদিকে সড়কে তীব্র যানজট, অন্যদিকে শ্রমিকদের কর্মব্যস্ততা ও নৌকার মাঝিদের কোলাহল একদমই নেই। বিভিন্ন জেলায় নতুন পাইকারি বাজার গড়ে ওঠার কারণে, বাজারের পুরনো গলিতে নেই সেই আগের ভিড়।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, একসময় যেই বাজারে ছিল দৈনিক ২০০০ থেকে ২৫০০ কোটি টাকার বাণিজ্য, সেখানে এখন লেনদেন হচ্ছে মাত্র ২০-৩০%। বড় বড় শিল্প গ্রুপগুলোরও খাতুনগঞ্জ থেকে ব্যবসা সরিয়ে নিয়েছেন বলে জানান তারা।
খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান, নাগরিককে জানান, স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা, অবকাঠামো উন্নয়ন, এবং ব্যবসায়ীদের আস্থা ফেরানো সম্ভব হয়, তাহলে খাতুনগঞ্জ আবারও ফিরে পাবে তার হারানো জৌলুস।
খাতুনগঞ্জের ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে হলে সরকারের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদেরও একযোগে উদ্যোগ নিতে হবে বলছেন বিশিষ্টজনেরা।
পড়ুন: ঢাকায় সমাবেশে যাওয়া-আসায় ২০ বগির ট্রেন ভাড়া নিয়েছে চট্টগ্রাম ছাত্রদল
এস/


