১১/০২/২০২৬, ১৫:৩১ অপরাহ্ণ
28 C
Dhaka
১১/০২/২০২৬, ১৫:৩১ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

পটুয়াখালীর দুমকীতে ব্রীজ আছে রাস্তা নাই ভোগান্তিতে শতাধিক পরিবার

পটুয়াখালী জেলার দুমকী উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের সাতানী গ্রামে রাস্তা বিহীন স্থানে দুইটি ব্রীজ নির্মাণ হয়েছে। খালের উপর নির্মিত এসব ব্রীজ দিয়ে সাধারণ মানুষের কোনো যাতায়াত নেই। এতে স্থানীয়দের মাঝে প্রশ্ন উঠেছে কার স্বার্থে নির্মাণ করা হলো এ ব্রীজ?

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে ৬৯লাখ ১৮হাজার টাকা বরাদ্দে আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের দুমকী সাতানী গ্রামে ব্রীজ দু‘টি নির্মিত হয়। যার একটি ব্রীজ নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩৩ লাখ টাকা। ৫০ মিটার দূরে আরেকটি ব্রীজ নির্মাণে খরচ হয়েছে প্রায় ৩৭ লাখ। মোট ব্যয় ৬৯ লাখ ১৮ হাজার টাকা। কাজ বাস্তবায়ন করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রুকাইয়া ট্রেডার্স।

সাতানী গ্রামের বাসিন্দা মো: নাসির উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করেন, স্থানীয় সাবেক এমপি এবিএম রুহুল আমীন হাওলাদার মসজিদ কমপ্লেক্সের জন্য প্রায় শতাধিক পরিবারের যাতায়াতের একমাত্র সড়কটি জবর দখল করে সীমানা প্রাচীর দিয়ে আটকে রাখে। তিনি নিজ অর্থায়নে রাস্তা নির্মাণ করে যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে স্থানীয়দের আশ্বস্ত করেছিলেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. জাফরের ভাষ্য, বর্তমানে এ ব্রীজ কোন কাজেই আসছেনা যতদিন পর্যন্ত রাস্তা না হয়। এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার রাস্তা করে দেয়ার কথা ছিলো।

মিলন হাওলাদার জানান, দুটি ব্রীজ থাকলেও রাস্তা না থাকায় ভোগান্তিতে রয়েছে সাতটি বাড়ির শতাধিক পরিবার। সাবেক এমপি এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার মসজিদ নির্মাণ করার নামে তাদের যাতায়াতের রাস্তা সীমানা প্রাচীর দিয়ে আটকে দিয়েছেন।

সরেজমিন দেখা গেছে মসজিদ নির্মাণ করতে রাস্তা আটকে দেয়ার কারনে উজ্জত আলী মুন্সি বাড়ি, জালাল মাস্টার বাড়ি, আক্রাম হাজী বাড়ি, আবু মোল্লা বাড়ি, দেলোয়ার মীরা বাড়ি, দরবেশ হাওলাদার বাড়ি ও মজিবর হাওলাদার বাড়ির শতাধিক পরিবার চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন। ভুক্তভোগীরা রাস্তা নির্মাণ করার দাবি জানিয়েছেন। রাস্তা না হলে ব্রীজ দুটি কোন কাজেই আসবে না।

জাপা নেতা এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি থাকা অবস্থায় শতাধিক পরিবারের যাতায়াতের জন্য এই ব্রীজ দুটি নির্মানে অর্থ বরাদ্ধ করেন এবং ব্রীজ দুটি নির্মাণ হলেও কোথাও সড়কের অস্তিত্ব নেই, এমনকি ভবিষ্যতে রাস্তা নির্মিত হবে কী না এমন সংশয় স্থানীয়দের।
ঠিকাদার মেহেদী হাসান রোহান জানান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) নির্দেশনায় কাজ করেছেন তিনি।

পিআইও মোহাম্মদ আলী বলেন, স্থানীয় এমপির প্রকল্প হওয়ায় কিছু করার ছিল না। টেন্ডার অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : পটুয়াখালীর দুমকীতে বাঁধ ভেঙে পানিবন্দি শতাধিক পরিবার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন