চাঁপাইনবাবগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অনুষ্ঠানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতার বক্তব্যে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে হট্টগোল ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ মঞ্চে এ ঘটনা ঘটে। ওই সময় জেলা প্রশাসক আব্দুস সামাদ ও পুলিশ সুপার রেজাউল করিম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ মঞ্চে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আলোচনা সভা চলছিল। একপর্যায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদ্য বিলুপ্ত জেলা কমিটি সদস্যসচিব সাব্বির আহমেদকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য ডাকা হয়। এ সময় বক্তব্য দিতে বাধা দেয় আরেক বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া ইসমাঈল হক সিরাজীসহ তার সমর্থকেরা। এ নিয়ে সাব্বির ও ইসমাঈলের সমর্থকদের মধ্যে হট্টগোল ও ধস্তাধস্তি হয়। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে বেশ কিছুক্ষণ অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়। পরে জেলা প্রশাসন ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ বিষয়ে সাব্বির আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, সম্প্রতি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের তালিকায় ভুয়াদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিবাদ করায় একাংশ আমার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছে। এরই জের ধরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অনুষ্ঠানে আমাকে বক্তব্য দিতে বাধা দেওয়া হয়।
অন্যদিকে ইসমাঈল হোসেন সিরাজী দাবি করেছেন, গত বছরের ৫ আগস্টের আগে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়াদের যে তালিকা করা হয়েছিল সেটি পরে বদলে যায়। নতুন তালিকা করে জুলাই আন্দোলনকারীদের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এর প্রতিবাদে সাব্বিরকে বক্তব্য দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য একাধিকবার কল করা হলেও জেলা প্রশাসক আব্দুস সামাদ রিসিভ করেননি।
পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন
এস/


