22.9 C
Dhaka
০৭/০৩/২০২৬, ০:৪৯ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

“ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা, দুই দেশের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন সংকট”

ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রতি উত্তেজনার মুখে পড়েছে। ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যে রাজনৈতিক ভাষণ এবং তার ‘বানোয়াট ও উসকানিমূলক’ মন্তব্যের কারণে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা। বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে। এছাড়া তলব করা হয় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকেও।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ভারতে পালিয়া যাওয়ার পর ফেসবুকে লাইভে একটি বক্তৃতা দিয়েছেন হাসিনা। সেই বক্তৃতায় তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘মৃতদেহের উপর দিয়ে হেঁটে’ ক্ষমতা দখল করার জন্য অভিযুক্ত করেছেন।

এ পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশ ভারতীয় হাইকমিশনার পবন বাধেকে তলব করে এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ‘বিরূপ’ বিবৃতিগুলোর জন্য আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানায়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘গভীর উদ্বেগ ও হতাশা’ প্রকাশ করে এবং ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার ‘বিরূপ’ বিবৃতিগুলিকে সুস্থ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক গড়তে সহায়ক নয় বলে উল্লেখ করেছে।

এদিকে, ভারত মুজিবের স্মৃতি যাদুঘর ধ্বংসের ‘কঠোর নিন্দা’ জানিয়েছে এবং একে ‘ভাংচুর’ বলে অভিহিত করেছে। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যারা স্বাধীনতা যুদ্ধকে মূল্যায়ন করে এবং বাংলা পরিচয়কে লালন করে, তারা এই বাড়ির গর্বিত গুরুত্ব সম্পর্কে অবহিত।

এছাড়া ভারতে থাকাকালীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং অন্যান্য যোগাযোগ চ্যানেলের মাধ্যমে হাসিনাকে মিথ্যা ও উস্কানিমূলক বিবৃতি দেওয়া থেকে বিরত রাখতে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়ার মনোভাব নিয়ে অবিলম্বে এবং যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ভারতকে আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এই পরিস্থিতিতে, ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বাড়ছে, যা দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যতের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

পড়ুন:শেখ হাসিনাকে থামান, ফের দিল্লিকে ঢাকার বার্তা

দেখুন:ঢাকায় আছে বাড়ি, গাড়ি, তবুও ফুটপাতে কেন থাকেন কোটিপতি ব্যবসায়ী? |

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন