ভারত সরকারের প্রচ্ছন্ন মদদেই বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও নেতাকর্মীরা যে কলকাতায় আছেন, সে তথ্য ইঙ্গিতে ফাঁস করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত বৃহস্পতিবার নিউটাউনে এক অনুষ্ঠানে ‘বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশি তকমা দেওয়া ও বাঙালি হেনস্তা’ প্রসঙ্গে এ ইঙ্গিত দেন।
নিউটাউনে দুটি আবাসন প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে তৃণমূল নেত্রী বলেন, ‘ভারত সরকার তো আমাদের অতিথি হিসেবে কয়েকজনকে রেখেছে। আমি কিনা বলেছি।’ মমতা বলেন, ‘অতিথি হিসেবে রাখার রাজনৈতিক কারণ আছে। ভারত সরকারের অন্য কোনো কারণ আছে। কিন্তু আমরা তো কিছু বলিনি।’
কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশে মমতা বলেন, ‘বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশি! এটা কখনও হয়?’ মমতা বলেন, ‘১৯৭২ সালের ইন্দিরা-মুজিব চুক্তির ফলে ভারতে আসা উদ্বাস্তু সবাই অবশ্যই ভারতের নাগরিক। বাংলাদেশি কোনোভাবেই নয়। এখন হয়তো আসতে পারবে না।’ তৃণমূল নেত্রী বলেন, ‘বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হচ্ছে– বাংলা ভাষায় কথা বললেই রিপোর্ট করে দেওয়া হবে। ওরা জানে না, বাংলা ভাষায় কথা বলা মানুষের সংখ্যা এশিয়ায় দ্বিতীয়। আর বিশ্বে পঞ্চম।’ ধারণা করা হয়, গত বছরের ৫ আগস্টের পর অনেক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ভারতে আশ্রয় নেন। হাসিনাসহ কয়েকজনের আশ্রয়ের কথা ভারত স্বীকার করলেও নেতাকর্মীর বিষয়টি এখনও অজানা।
পড়ুন: উচ্চকক্ষ বাতিলেও রাজি, তবু পিআর মানবে না বিএনপি
দেখুন: ‘কোন দুঃখে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন?’ |
ইম/


