কাতার সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটি (QCAA) নোটিস টু এয়ারম্যান (NOTAM) জারি করে বিদেশি এয়ারলাইন্সসহ সব ফ্লাইটের কাতারগামী চলাচল ধাপে ধাপে পুনরায় শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। ফ্লাইটগুলো হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে পরিচালিত হবে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও আকাশপথে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে কাতারসহ ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও জর্ডানে বিমান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ বা সীমিত করা হয়েছিল। এ পরিস্থিতিতে কাতার এয়ারওয়েজ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ বিভিন্ন এয়ারলাইন্স তাদের ফ্লাইট কার্যক্রম স্থগিত রাখে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কাতার সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটি দেশের আকাশসীমায় সাময়িকভাবে সব ধরনের বিমান চলাচল বন্ধ করে দেয়।
পরিস্থিতির উন্নতি এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে বিস্তারিত মূল্যায়ন শেষে ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে এই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া হয়। QCAA জানায়, যাত্রী ও বিমানকর্মীদের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। সংস্থাটি বলেছে, “যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট সকলের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।”
দীর্ঘ দেড় মাস পর ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়ায় কাতারগামী বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স শিগগিরই ঢাকা-দোহা রুটে নিয়মিত ফ্লাইট চালু করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এয়ারলাইন্সগুলো ইতোমধ্যে QCAA-এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং খুব শিগগিরই ফ্লাইট শিডিউল ঘোষণা করা হতে পারে, যা প্রবাসীদের যাতায়াত সহজ করবে।
যাত্রীদের সর্বশেষ ফ্লাইট আপডেট জানতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের ওয়েবসাইট, অ্যাপ বা হটলাইনে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যাদের ভিসার মেয়াদ ছয় মাসের বেশি, তাদের নিজ নিজ স্পন্সরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে। হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও নিরাপত্তা নির্দেশনা যাচাই করে নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
পড়ুন: সারা দেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু
আর/


