বিজ্ঞাপন

চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স এলো রেকর্ড ৩০ বিলিয়ন ডলার

চলতি অর্থবছরের ২৮ জুন পর্যন্ত এসেছে ৩০ দশমিক ০৪ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৪ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

রোববার (২৯ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, চলতি অর্থবছরের ২৮ জুন পর্যন্ত দেশে এসেছে ৩ হাজার ৪ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত অর্থবছরের একই সময়ে যা এসেছিল ২ হাজার ৩৭৪ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ২৬ দশমিক ৫০ শতাংশ।

এর আগে দেশে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছিল ২০২০-২১ অর্থবছরে। সেই অর্থবছর জুড়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার। আর সবশেষ ২০২৩-২৪ অর্থ বছরজুড়ে এসেছিল ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার।

এদিকে চলতি জুন মাসের প্রথম ২৮ দিন বা ৪ সপ্তাহে দেশে এসেছে ২৫৩ কোটি ৯২ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৫ কোটি ৬৪ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৩৬ কোটি ১২ লাখ ৩০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৬১ কোটি ৬১ লাখ ৪০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৩ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।


বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানায়, ২২ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৫৫ কোটি ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার। জুনের ১৫ থেকে ২১ তারিখ পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৮০ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার ডলার। ৮ থেকে ১৪ জুন প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩০ কোটি ৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। আর জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৮৮ কোটি ৩৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

এদিকে গত মে মাসে দেশে এসেছে ২৯৬ কোটি ৯৫ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৮১ কোটি ৪৮ লাখ ১০ হাজার ডলার।

এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২৭ কোটি ৩০ লাখ ৭০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৮৭ কোটি ৬২ লাখ ১০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : মে মাসে এসেছে ২৯৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন