জামালপুর জেলা কারাগারে আটক এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসা প্রক্রিয়া ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। মৃত ব্যক্তি জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা জিয়াউল হক জিয়া ।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন। বিদ্যালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলায় চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এরপর থেকেই তিনি কারাগারে ছিলেন।
পরিবারের দাবি, অসুস্থতা দেখা দেওয়ার পরও তিনি যথাসময়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাননি। জানা গেছে, অসুস্থ হওয়ার দুইদিন পর ১৪ এপ্রিল দুপুরের দিকে তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে নববর্ষের ছুটির কারণে সেখানে চিকিৎসক না থাকায় বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হলে পথেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে। হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জামালপুরের জেলা প্রশাসক লিপি রানী সাহা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এদিকে, মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়গুলো পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, মরহুম জিয়াউল হক জিয়া জামালপুর সদর উপজেলার দিগপাইত ইউনিয়নের হরিদ্রাটা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
ঘটনাটি ঘিরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
পড়ুন:লক্ষ্মীপুরে ওয়ালটন টাকিওন ইলেকট্রিক বাইক প্রচারে বর্ণাঢ্য র্যালি
দেখুন:বাংলাদেশের সবজি এখন বিশ্ববাজারে, বাড়ছে বৈদেশিক আয়
ইমি/


