বিজ্ঞাপন

জুলাই-অভ্যুত্থানের পর ৪৯৬ সাংবাদিক হয়রানি, ২৬৬ জনকে করা হয় হত্যা মামলার আসামি

অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়েও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি, ৪৯৬ জন সাংবাদিক বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ও হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে ২৬৬ জন সাংবাদিককে। এসব তথ্য জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

বিজ্ঞাপন

টিআইবির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত সময়ে সাংবাদিক, লেখক ও মানবাধিকারকর্মীদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। এই সময়ে ৪৯৬ জন সাংবাদিক হয়রানির শিকার হয়েছেন, যাদের মধ্যে ২৬৬ জনকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংক্রান্ত হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে। এছাড়া দায়িত্ব পালনকালে হামলায় নিহত হয়েছেন তিনজন সাংবাদিক।

টিআইবি জানায়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি। এ সময়ে ২৪ জনের বেশি সংবাদমাধ্যমকর্মীকে পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আটটি সংবাদপত্রের সম্পাদক ও ১১টি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের বার্তা সম্পাদককে বরখাস্ত করা হয়েছে। অন্তত ১৫০ জন সাংবাদিক চাকরিচ্যুত হয়েছেন। সংবাদমাধ্যম কার্যালয়ে মব তৈরি করে আতঙ্ক সৃষ্টির ঘটনাও ঘটছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড নিয়ে সরকারের কার্যক্রম নিয়েও সমালোচনা করেছে সংস্থাটি। প্রতিবেদনে বলা হয়, তিন দফায় ১৬৭ জন সাংবাদিকের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে তথ্য কমিশনকে কার্যকর করা এবং তথ্য অধিকার আইনের প্রয়োজনীয় সংস্কারের ক্ষেত্রেও সরকারের উদাসীনতার বিষয়টি তুলে ধরা হয়।

টিআইবি আরও জানায়, রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ) প্রকাশিত ২০২৫ সালের বিশ্ব প্রেস ফ্রিডম সূচকে বাংলাদেশ ১৬ ধাপ উন্নতি করলেও, দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের সামগ্রিক পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক রয়ে গেছে।

বিগত সরকারের পতনের পর দেশের এক বছরের সামগ্রিক পরিস্থিতি মূল্যায়নে এই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে টিআইবি।

পড়ুন: সংরক্ষিত নারী আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ আজ

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন