টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। এতে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে বিরোধ চলছিল দুই পক্ষের মধ্যে। সম্প্রতি বিষয়টি তীব্র আকার ধারণ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।
এক পক্ষের অভিযোগ,সুলতান ড্রাইভারের নিকট হতে গত ৮ মাস পূর্বে রহিমপুর মৌজা হতে সাব-কবলায় ৩.৭৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন কোদালিয়া এলাকার আলমাস হোসেন।জমির পরিমাপ করার জন্য একাধিক বার সুলতান ড্রাইভারকে বলা হয়।সুলতান ড্রাইভার বলে এই দিবো দিচ্ছি।ক্রয়কৃত জমির মালিক আলমাস বলেন,জমিটার পরিমাণ অনুমান করে আমি আমার জমিতে সবজি চাষ শুরু করি।চলতি মাসের(১৯শে এপ্রিল)আনুমানিক বিকেল ৪:০০ ঘটিকার সময় আমার ছোট বোন শিরিন আক্তার আমার ক্রয়কৃত জমিতে সবজির চারা দেখতে যায় সেখানে গিয়ে দেখে সবজির চারা নেই।তখন সুলতান ড্রাইভারের পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞেস করে গাছের চারা কথা।জিজ্ঞেস করার সাথে সাথেই আমার বোনকে মারধর করে।আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসি।এরপর আমরা কোদালিয়া বাজারে বসে আছি এমন সময় সুলতান ড্রাইভার ও তার ভাইয়েরা এসে আমাদের-কে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে আঘাত করতে থাকে।বাজারে উপস্থিতি থাকা লোকজন তাদের ধাওয়া করলে পালিয়ে যাওয়ার সময় সুলতান আঘাত প্রাপ্ত হয়ে।
এ বিষয়ে সুলতান ড্রাইভারের সাথে কথা হলে তিনি বলেন,আমি জমি বিক্রি করেছি জমি বুঝিয়ে দিতে কয়েকদিন সময় চেয়েছি।এর মধ্যেই এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।আমি উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার শাহ আলম পারভেজ এর নামে মিথ্যে বানোয়াট অপপ্রচার বক্তব্য দেওয়ায় গোড়াই বাসীর কাছে ক্ষমা চাই।
উভয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বলেন,তদন্ত চলমান।আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পড়ুন- যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার অর্ধেক শেষ, বড় সামরিক ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র


