বিজ্ঞাপন

দোহারে স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ফলক উদ্বোধন হলো: খোন্দকার আবু আশফাক

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ফলক উদ্বোধন হলো। আমাদের বীর শহীদের প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য এই এলাকায় কোনো স্মৃতিস্তম্ভ করা হয়নি।

বিজ্ঞাপন

রবিবার সকালে ঢাকার দোহার উপজেলা প্রাঙ্গণে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন করার সময় ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খোন্দকার আবু আশফাক এসব কথা বলেন।


তিনি বলেন, এখন নতুন সরকার আসছে পরিবর্তন হয়েছে। যাদের জন্য দেশ পেয়েছি আমরা যেন তাদেরকে ভুলে না যাই, তাদেরকে যথাযথ মর্যাদায় স্বরণ করতে পারি। তাই বর্তমান সরকারের ডাইনামিক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা একটা স্মৃতিসৌধ নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলাম। এই সরকারের আমলে অনেক নতুন নতুন কাজ দেখতে পাবেন, যা আপনারা চিন্তা করতে পারবেন না।
এছাড়া দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলায় চাঁদাবাজ, বালু লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে এমপি বলেন, উপজেলার মুকসুদপুর থেকে নয়াবাড়ী পর্যন্ত মহাসড়কসহ পদ্মা নদী তীরবর্তী এলাকায় সব ধরনের অবৈধ বালুর স্তুপ ও উত্তোলন বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও রাস্তার উপর দিয়ে যত্রতত্র ড্রেজারের পাইপ নিয়ে অবৈধ বালু ব্যবসা করা যাবে না।


তিনি আরো বলেন, দোহার-নবাবগঞ্জের পরিবেশ রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবে আমরা বদ্ধপরিকর। বালু উত্তোলন ও পরিবহনের ফলে রাস্তাঘাটের যে ক্ষতি হচ্ছে এবং নদী ভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে, তা আর সহ্য করা হবে না। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। যারা বালুর ব্যবসার সাথে জড়িত, তারা যেন এখনই বিকল্প পথ খুঁজে নেয়।


উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাঈদুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন দোহার থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক, পৌরসভা প্রকৌশলী এমএম মামুন উর রশিদ, দোহার উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মেছের, ঢাকা জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল হাশেম বেপারীসহ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কমরর্ত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

পড়ুন- জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সংসদে বিশেষ কমিটি গঠন, ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন

দেখুন- যু/দ্ধের ময়দান থেকে পালানোর পথ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র? 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন