ঢাকার ধামরাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে নির্ধারিত সরকারি অফিস সময় অমান্যের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অফিস খোলার নির্ধারিত সময় সকাল ৯টা পার হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউই তখন উপস্থিত ছিলেন না। তবে খালি কক্ষগুলোতে বৈদ্যুতিক পাখা চলতে দেখা গেছে।
সরেজমিনে আরও দেখা যায়, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা ১৩ মিনিট পর্যন্ত অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন। সকাল ১০টার দিকে অফিস প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায়, পুরো অফিসে কেবলমাত্র একজন আয়া উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অফিসের সুপারভাইজার আইরিন আক্তার সকাল ৯টায় অফিসে এলেও ছেলেকে নিয়ে তার স্কুলে চলে যান।
এ সময় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে আয়া ছাড়া অন্য কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মস্থলে দেখা যায়নি। বিভিন্ন কক্ষ খালি থাকলেও বৈদ্যুতিক পাখা চালু অবস্থায় পাওয়া যায়, যা সরকারি সম্পদের অপচয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরকারি বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময় মেনে দায়িত্ব পালন করা সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য বাধ্যতামূলক হলেও বাস্তবে এর ব্যত্যয় ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানিয়েছেন সচেতন মহল।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সুপারভাইজার আইরিন আক্তার বলেন, “আমি সময়মতো এসেছিলাম। ছেলেকে নিয়ে এসে তাকে গাড়িতে তুলে দিয়ে আবার ফিরে আসি। দুইজন কর্মকর্তা উপজেলায় অফিসিয়াল কাজে গিয়েছিলেন। একজন এলপিআরে গেছেন এবং আরেকজন অসুস্থতার কারণে বাসায় আছেন। আমাদের স্যারও রওনা হয়েছেন, তিনিও কিছুটা অসুস্থ থাকায় আসতে দেরি হচ্ছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, “গতকাল আমার এক আত্মীয় মারা গেছেন, যার কারণে মন ভালো নেই। এছাড়া মোটরসাইকেলে তেল নেওয়ার জন্য পাম্পে প্রায় ৪৫ মিনিট দেরি হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল মামুন বলেন, “সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৯টায় অফিসে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। কেউ যদি এ নিয়মের ব্যত্যয় ঘটায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পড়ুন : নওগাঁয় এ্যাথলেটিক্স প্রশিক্ষনের উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ


