চলে এলো ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। বরাবরের মতোই, সংস্কৃতিবিরোধী অপশক্তিকে তুচ্ছ করে ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণি নির্বিশেষে বাঙালি তার সর্ববৃহৎ উৎসব, নতুন বছর বরণ করতে প্রস্তুত।
আসন্ন পহেলা বৈশাখের প্রভাতী অনুষ্ঠান উপলক্ষে, বৈশাখী অনুষ্ঠানের আয়োজনসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনার বিষয় নিয়ে ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবনের মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন বক্তারা।
সভাপতি ড. সারোয়ার আলী বলেন, ‘সংস্কৃতির সকল প্রকাশ যেন নির্বিঘ্ন হয় সেটিই আমাদের আকাঙ্খা। বোমা হামলার যে রায় বেরিয়েছে সেটি আংশিক রায়। রায়ের সময় আদালতে আমাদের সাক্ষ্য গ্রহণ হয় নি, কোনো পরামর্শও নেয়া হয় নি।’
ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমদ লিসা বলেন, “ছায়ানটের বর্ষবরণের আয়োজনে বলতে চাই, ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’, সেখানেই বাঙালির জয়। বিগত বছরের সব প্রতিকূল আবর্জনা দূর করে আমরা হতে চাই, আরো মানবমুখী। নতুন বছর বাঙালিকে সে শক্তি জোগাক। “
নতুন বছর বরণ করতে ভোর সোয়া ৬টায় নবীন আলোর সাথে ছায়ানটের সুরবাণীছন্দের সূচনা হবে। সকালের স্নিগ্ধ প্রকৃতি এবং মানব ও দেশপ্রেমের গানের পাশাপাশি আছে, লোক জনজীবনের সুর। অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে ৮টি সম্মেলক ও ১৪ টি একক গান এবং ২টি পাঠ দিয়ে। শিল্পীসংখ্যা থাকবেন প্রায় দুইশো।
লিসা জানান, ছায়ানটের পহেলা বৈশাখ উদযাপন সুষ্ঠু রাখতে বরাবরের মতোই অক্লান্ত সেবা দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনী ও গণপূর্ত অধিদপ্তর। ছায়ানট কর্মীদের সঙ্গে সেবায় যুক্ত হয়েছে থার্টিনথ হুসার্স ওপেন রোভার গ্রুপ ও এজিস সার্ভিসেস লিমিটেড। মঞ্চসজ্জায় আছেন দুই শিল্পী, ছায়ানটেরই প্রাক্তনী, মমিনুল হক দুলু ও রণজিত রায়।
পড়ুন : পহেলা বৈশাখ ঘিরে জঙ্গি হামলার কোনো আশঙ্কা নেই : ডিএমপি কমিশনার


