বিজ্ঞাপন

নানা সংশয় কাটিয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা শনিবার

নানা আলোচনা ও সংশয় কাটিয়ে আগামীকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিষ্ঠান প্রধান (অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ) নিয়োগ পরীক্ষা। এতে প্রায় ৫৩ হাজারের বেশি প্রার্থী অংশগ্রহণ করবেন।

এনটিআরসিএর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা আয়োজনের সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী যথাসময়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, ঢাকার ৯টি নির্ধারিত কেন্দ্রে চারটি পৃথক গ্রুপে এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য এনটিআরসিএ কার্যালয়ে একটি বিশেষ কন্ট্রোল রুমও স্থাপন করা হয়েছে।

পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী, ‘ক’ গ্রুপের পরীক্ষা সকাল ৯টা থেকে ১০টা, ‘খ’ গ্রুপ বেলা ১১টা ৩০ মিনিট থেকে ১২টা ৩০ মিনিট, ‘গ’ গ্রুপ দুপুর ২টা থেকে ৩টা এবং ‘ঘ’ গ্রুপের পরীক্ষা বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট থেকে ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে, গত ৭ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম জানান, দেশের বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ হাজার ৯৫১টি শূন্য পদের বিপরীতে মোট ৫৩ হাজার ৬৯টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানে ৭ হাজার ৯০৮টি, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে ১১২টি এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ৩ হাজার ১৩১টি পদের জন্য আবেদন করা হয়েছে।

আবেদনকারীদের মধ্যে পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যা ৪৭ হাজার ৩৫১ জন এবং নারী প্রার্থী ৫ হাজার ৭১৮ জন। গত ২৫ মার্চ প্রকাশিত ‘৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৬ (সংশোধিত)’ বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতেই এ আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, পরীক্ষার পরবর্তী নিয়োগ প্রক্রিয়াও দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। পাশাপাশি, দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক স্বল্পতা দূর করতে প্রতিবছর অন্তত দুটি করে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : এনটিআরসির প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন