বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনায় পুলিশের জালে ২ মাদক ব্যবসায়ী

নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলায় মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আটককৃত দুই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গোপনে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। তারা হলেন- মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে মিলন (৬৫) ও মৃত লাসু মিয়ার ছেলে বকুল (৫৩)। তারা দুজনই কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের পাড়াতলী গ্রামের বাসিন্দা।

সোমবার (৪ মে) সকালে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মেহেদী মাকসুদ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আটককৃত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কেন্দুয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের শেষে তাদেরকে আজ জেলা আদালতে প্রেরণ করা হবে।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ওসি আরও জানান, ‍“মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। সমাজ থেকে মাদকের বিষবাষ্প দূর করতে পুলিশের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবেই দুজনকে আটক করা হয়েছে।”

এরআগে গতকাল (রবিবার) দিবাগত রাতে উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের পাড়াতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে পুলিশ।

পুলিশের কাছে আগে থেকেই গোপন গোয়েন্দা তথ্য ছিল, পাড়াতলী গ্রামের নির্দিষ্ট স্থানে মাদক ক্রয়-বিক্রয় চলছে। এ তথ্যের সত্যতা যাচাই করে রবিবার রাত আনুমানিক ১০টা ৫০ মিনিটে সেখানে ঝটিকা অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল।

এ বিশেষ অভিযানে সরাসরি নেতৃত্ব দেন কেন্দুয়া থানাধীন পেমই তদন্ত কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শফিউল আলম। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থল থেকে মিলন ও বকুলকে হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। পরবর্তীতে তাদের দেহ তল্লাশি করে অবৈধ নেশাজাতীয় দ্রব্য ৩৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

উপজেলায় যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভবিষ্যতেও মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

পড়ুন:ময়মনসিংহে হামে আক্রান্তে ১শিশুর মৃত্যু, চিকিৎসাধীন ৮২মোট মৃত্যু ২৪

দেখুন:হাইডেলবার্গ: বাস্তবের চেয়েও সুন্দর? 

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন