বিজ্ঞাপন

পঞ্চগড়ে চিকিৎসককে মারপিটের ঘটনায় দুই আসামী গ্রেফতার

পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত ডাঃ সঞ্জয় কুমার রায়কে মারপিটের ঘটনায় বেলাল হোসেন (৪১) ও নয়নকে (১৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।পরে তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।শনিবার বিকালে সদর থানায় এক প্রেস বিফ্রিংয়ে এ তথ্য দেন অফিসার ইনচার্জ আশরাফুল ইসলাম।

তিনি বলেন,জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত ডাঃ সঞ্জয় কুমার রায়, জিমি আক্তার নামে এক রোগীকে ভুল চিকিৎসা দেওয়ার মিথ্যা অপবাদ দিয়ে গ্রেফতার কৃত আসামীরা আক্রমন করে ও এলোপাতারীভাবে কিলঘুষি দেয়।বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরলে ১৭ এপ্রিল হাসপাতালের প্রধান সহকারী কাম হিসাবরক্ষন বদিউজ্জামান বাদী হয়ে দুইজনসহ আরো ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে মামলা দায়ের করে।

আসামী বেলাল হোসেন সদরের ঝিটকিকুরা এলাকার গিয়াস উদ্দীনের ছেলে। নয়ন বেলাল হোসেনের ছেলে।আসামীরা একে অপরের পিতাপুত্র।

এজাহার সূত্রে জানা যায়,পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে গত ১৬ এপ্রিল সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত জরুরি বিভাগে ডাঃ সঞ্জয় কুমার রায় মেডিকেল অফিসার হিসেবে চিকিৎসা প্রদানের কাজে নিয়োজিত ছিল।দুপুরে সদরের রাজনগর এলাকার মশিউর রহমানের মেয়ে জিমি আক্তার (১৮) ভর্তি হয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করছিল।বিকালে জিমি আক্তারের শশুর বেলাল হোসেনসহ ১০/১৫ জন উৎশৃঙ্খল ব্যক্তি আক্রমনাত্মক ভাবে জরুরী বিভাগে প্রবেশ করে, আসামী বেলাল হোসেন ডাঃ সঞ্জয় কুমার রায়কে বলে যে, আমি পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক। জিমি আক্তার কে যে স্যালাইনটি ভুল ভাবে পুশ করা হয়েছে এতে রোগির ক্ষতির কারন হতে পারে বলে ডাঃ সঞ্জয় কুমার রায়কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও দুর্ব্যবহার করে সরকারী কাজে বাঁধা সৃষ্টি করে পরিস্থিতি অশান্ত করলে এরই একপর্যায়ে আসামীগণ চিকিৎসককে আক্রমন করে এলোপাতারি বুকে কিলঘুষি মারে।

আসামী বেলাল হোসেন বলেন,রোগির চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে বেগতিক অবস্থা দেখে ঠিক থাকতে না পেরে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে এর জন্য আমি ক্ষমা চেয়েছি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : মাদারীপুরে দুই খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করেন এমপি খোকন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন