জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন কিশোরগঞ্জ র্যাব-১৪ তে কর্মরত মো. গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া। ডিউটির ফাঁকে নিজের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে তিনি এ পর্যন্ত বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ৩ হাজারেরও বেশি ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করেছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার ৫ নং বিনাউটি ইউনিয়নের মজলিশপুর গ্রামের প্রয়াত প্রধান শিক্ষক শামসুল আলম ভূঁইয়ার সন্তান গোলাম মোস্তফা। বাবার শিক্ষকতা জীবনের আদর্শ এবং প্রকৃতির প্রতি গভীর মমতা থেকে তিনি এই চারা রোপণ কর্মসূচি শুরু করেন। কর্মস্থল কিশোরগঞ্জ হলেও নিজের এলাকা এবং আশেপাশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তিনি নিয়মিত এসব চারা রোপণ করে আসছেন।
তার এই সবুজ বিপ্লবের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। মোস্তফা ভূঁইয়ার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বিশিষ্টজনেরা বলছেন:
সরকারি চাকুরির পাশাপাশি নিজের অর্থ ও সময় ব্যয় করে এভাবে পরিবেশের সেবা করা সত্যিই বিরল। তার এই উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মের জন্য বড় একটি অনুপ্রেরণা।
মো. গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া জানান, বৃক্ষরোপণ কেবল একটি শখ নয়, এটি বর্তমান সময়ের একটি নাগরিক দায়িত্ব। তিনি বলেন, বাবার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি চেয়েছি সমাজের জন্য স্থায়ী কিছু করতে। গাছ বড় হয়ে যখন ছায়া ও ফল দেবে, তখনই আমার শ্রম সার্থক হবে।
সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের পরামর্শে তিনি এই কার্যক্রম আরও ব্যাপকভাবে চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। প্রতিটি খালি জায়গায় অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর জন্য তিনি সাধারণ মানুষের প্রতিও আহ্বান জানান।
সবুজ পৃথিবীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়ার মতো নিভৃতচারী কর্মীরাই আমাদের আশার আলো।
পড়ুন:জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় বাংলাদেশের
দেখুন:আগুনে যেসব ক্ষতি হলো পিজি হাসপাতালের |
ইমি/


