বিজ্ঞাপন

পিলখানায় লুটের অভিযোগ ভিত্তিহীন, দাবি সাবেক বিডিআর সদস্য টিপুর

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় একটি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাবেক বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদস্য মো. আশরাফুল হক টিপু। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় কেন্দুয়া প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উপজেলার ভরাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. আশরাফুল হক টিপু জানান, গত ২৮ এপ্রিল ‘চ্যানেল ওয়ান’ তাকে জড়িয়ে “পিলখানায় লুট কোটিপতি সাবেক বিডিআর সদস্য” শিরোনামে সংবাদ প্রচার করা হয়। তিনি এই সংবাদকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।

তিনি বলেন, “পিলখানা ঘটনার সময় লুটপাট করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ওই ঘটনার সময় আমি খাগড়াছড়ি ৫ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধীনে কর্মরত ছিলাম এবং একটি বিশেষ সিগন্যাল প্রশিক্ষণের জন্য ঢাকায় অবস্থান করছিলাম। আমি কোনোদিন জেলেও যাইনি।”

আশরাফুল হক টিপু ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ রাইফেলসে যোগদান করেন এবং ২০১১ সালে বাধ্যতামূলক অবসরে যান। বর্তমানে তিনি স্বনামধন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আহসান গ্রুপের সিনিয়র রিজিওনাল ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি পৈতৃক জমিতে পোল্ট্রি, ফিশারিজ ও গরুর খামার পরিচালনা করছেন।

নিজের সম্পদের বিবরণ দিয়ে তিনি জানান, তার নামে সীমিত পরিমাণ জমি ও বসতবাড়ি রয়েছে যা বৈধ আয়ের মাধ্যমে অর্জিত। এছাড়া স্ত্রীর নামে কেন্দুয়া পৌরসভার সাউদপাড়া এলাকায় তিন শতাংশ জমির ওপর আনুমানিক ৩০ লক্ষ টাকা মূল্যের একতলা বাড়ি রয়েছে। যা বিয়ের সময় প্রাপ্ত উপহার এবং ব্যবসায়িক আয়ের মাধ্যমে তৈরি। তারা স্বামী-স্ত্রী নিয়মিত সরকারি রাজস্ব প্রদান করেন বলেও জানান।

অপপ্রচারের কারণ হিসেবে তিনি প্রতিপক্ষ ইউসুফ আব্দুল্লাহর সাথে দীর্ঘদিন ধরে চলমান জমি সংক্রান্ত বিরোধের কথা উল্লেখ করেন। তার ধারণা, এ বিরোধের জের ধরেই আর্থিক প্রভাব খাটিয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে আশরাফুল হক টিপু সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে সঠিক তথ্য যাচাই করে দায়িত্বশীলতার সাথে সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ জানান এবং প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বিবেচনা করছেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় ও জেলায় পর্যায়ের প্রায় ১৫-২০ জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য গণমাধ্যমকর্মীরা হলেন- দৈনিক যুগান্তরের মো. মামুন, দৈনিক যায় যায় দিনের মো. রফিক, দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের কাওসার আহমেদ, দেশ টিভির জেলা প্রতিনিধি জিয়াউর রহমান জীবন, দৈনিক আমাদের সময়ের রাখাল বিশ্বাস প্রমুখ।

পড়ুন- নোবেল শান্তি পুরস্কারের মনোনয়ন তালিকায় ২৮৭ জন

দেখুন- বিশ্ববাজারে তেলের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ!

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন