মিরপুরে দ্বিতীয় সারির অনভিজ্ঞ দল নিয়েও সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২৬ রানে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। ২৪৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশ ৪৮.২ ওভারেই ২২১ রানে অলআউট হয়েছে।
ডেথ ওভারের শুরুতে দলীয় ১৮৪ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তারপর ব্লেয়ার টিকনারের তোপ। এই পেসার তার শেষ তিন ওভারে চার উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের জয়ের আশা শেষ করে দেন।
১০ ওভারে ৪০ রান দিয়ে চার উইকেট নেন টিকনার। শেষ জুটিতে হৃদয় ছক্কা মেরে ৫৮ বলে ফিফটি করেন। কিন্তু দলকে জেতানোর জন্য তার ইনিংস যথেষ্ট ছিল না। ৪৯তম ওভারের দ্বিতীয় বলে তিনি ক্যাচ হন। ৩৭ রানে শেষ ৬ উইকেট হারাল বাংলাদেশ। ২৪৮ রানের লক্ষ্যে নেমে ২২১ রানে থেমে যায় ইনিংস।
বাংলাদেশ ২৪৮ রানের লক্ষ্যে নেমে শুরুতে বিপদে পড়ে। ২১ রানের মধ্যে তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত আউট হন। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন সাইফ ও লিটন। ৯৩ রানের জুটি গড়ার পথে সাইফ পঞ্চাশ ছুঁলেও তার পথে হাঁটতে গিয়ে হোঁচট খান লিটন। দুজনের বিদায়ের পর হৃদয় ও আফিফ হোসেনের জুটিতে জয়ের পথে ছুটছিল বাংলাদেশ।
৭৯ বলে ৫২ রানের জুটি ভাঙার পর দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। টিকনার ৪১তম ওভারে আফিফকে ২৭ রানে উইলিয়াম ও’রোর্কের ক্যাচ বানান। তখন বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৫৭ বলে ৬৪ রান, হাতে ৫ উইকেট।
দুই ওভার পর টিকনার বল নিয়ে মেহেদী হাসান মিরাজকে থামান মাত্র ৪ রানে। টম ল্যাথামের ক্যাচ হন মিরাজ। এই পেসার তার পরের ওভারের শেষ তিন বলে রিশাদ হোসেন (৪) ও শরিফুল ইসলামকে খালি হাতে আউট করে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন।
চার ওভারে ৩৫ রান দরকার ছিল বাংলাদেশ। ৮ উইকেট হারানোর পর সেই চাপ আর নিতে পারেনি স্বাগতিকরা। সেই প্রয়োজন মেটাতে পারেনি তারা। বরং টিকনারের শেষ ওভারে তাসকিন আহমেদ (২) বিদায় নেন। ৪৯তম ওভারের প্রথম বলে হৃদয় ছক্কা মেরে ফিফটি করলেও দুই বল পর তাকে সাজঘরে ফিরতে হয় নিকলসের ক্যাচ হয়ে। স্মিথ তাকে ফেরান ৫৫ রানে। ৬০ বলের ইনিংসে ছিল দুটি করে চার ও ছয়।
টিকনারের সঙ্গে স্মিথ তিনটি উইকেট নিয়ে কার্যকরী ভূমিকা রাখেন।
প্রথম ওয়ানডের সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ ৪৮.২ ওভারে ২২১/১০ (রানা ০*; তানজিদ ২, শান্ত ০, সাইফ ৫৭, লিটন ৪৬, আফিফ ২৭, মিরাজ ৬, রিশাদ ৪, শরিফুল ০, তাসকিন ২, হৃদয় ৫৫)
নিউজিল্যান্ড ৫০ ওভারে ২৪৭/৮ (লেনক্স ১*, স্মিথ ২১* ; কেলি ৭, ইয়াং ৩০, ল্যাথাম ১৪, নিকোলস ৬৮, আব্বাস ১৪, ক্লার্কসন ৮, ফক্সক্রফট ৫৯, টিকনার ৭)


