বিজ্ঞাপন

ফিফার সঙ্গে ইউটিউবের চুক্তি, বিশ্বকাপ ম্যাচের অংশবিশেষ দেখা যাবে সরাসরি

জুন-জুলাইয়ে ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের আসর বসবে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায়। যা নিয়ে ফুটবলভক্তদের উন্মাদনা আগে থেকেই ছিল, সেটিকে কাজে লাগিয়ে নিত্য-নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফা। মাঠে বসে সরাসরি খেলা দেখতে টিকিট বিক্রি চলছে অনলাইনে, তবে যুক্তরাষ্ট্রে হতে যাওয়া ম্যাচের টিকিটমূল্য ব্যাপক মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। এরই মাঝে স্ক্রিনের সামনে খেলা উপভোগ করা দর্শকদের জন্য নতুন পদক্ষেপ নিলো ফিফা।

বিজ্ঞাপন

যদিও এর সেই উদ্যোগের নেপথ্যে কতটুকু দর্শক চাহিদা মিটবে আর কতটুকু বাণিজ্যিক স্বার্থ জড়িত সেই আলোচনা রয়েছে। বিশ্বকাপ নিয়ে সামাজিক ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবের সঙ্গে চুক্তি করেছে ফিফা। যার অধীনে বিশ্বকাপে প্রতিটি ম্যাচের অংশবিশেষ যোগাযোগমাধ্যমটিতে সম্প্রচার করা হবে। ফিফা বলছে, ‘গেম-চেঞ্জিং পার্টনারশিপ’ হিসেবে আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত বিশ্বকাপ ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিট সম্প্রচারে উৎসাহিত করা হবে স্বত্বধারীদের।

ম্যাচের শুরুর ১০ মিনিট মূলত একধরনের ‘টিজার’ হিসেবে কাজ করবে, যা তরুণদের আগ্রহ বাড়িয়ে পরে টিভির মতো প্রচলিত মাধ্যমে পুরো ম্যাচ দেখতে উদ্বুদ্ধ করবে। ফিফা জানিয়েছে, সম্প্রচার স্বত্বধারীরা কিছু নির্দিষ্ট ম্যাচ তাদের ইউটিউবে চ্যানেলে দেখাতে পারবে। এর মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে আরও বেশি দর্শকের সঙ্গে সংযোগ তৈরি এবং এই প্রতিযোগিতা দেখতে উদ্বুব্ধ করবে তাদের। সেখানে উল্লেখ থাকবে বিশ্বকাপের পরবর্তী ম্যাচ কবে–কোথায় দেখানো হবে। তবে ঠিক কত টাকা মূল্যে ফিফা-ইউটিউবের এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটি প্রকাশ করা হয়নি।

ফিফা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে– নিজেদের বিশ্বকাপ আর্কাইভের কিছু অংশ শেয়ার করা হবে, ‘যার মধ্যে থাকবে অতীতের ম্যাচ ও ফুটবল ইতিহাসের আরও অনেক স্মরণীয় মুহূর্ত।’ এর আগে ২০২২ বিশ্বকাপেও ইউটিউব ছিল ফিফার নিম্নস্তরের স্পন্সর। সে চুক্তিতে বলা হয়েছিল, ‘ক্রিয়েটররা মাঠে উপস্থিত থেকে ফিফা বিশ্বকাপের নেপথ্যের দারুণ সব মুহূর্ত ধারণ করবে।’ এ ছাড়া বিশ্বকাপজুড়ে ইউটিউব কন্টেন্ট নির্মাতাদেরও নিজেদের মতো করে বিভিন্ন মুহূর্ত ধারণ করা ও সম্প্রচারে ব্যাপক অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিল আগেই।

বিশ্বকাপের ২৩তম আসরে প্রথমবারের মতো ৪৮ দল অংশ নেবে। তিনটি দেশের ১৬ ভেন্যুতে হবে টুর্নামেন্টের ১০৪ ম্যাচ। অথচ আগের আসরগুলোয় সর্বোচ্চ ম্যাচ হয়েছিল ৬৪টি করে। ১২ গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে প্রতিযোগী দলগুলো। বোঝাই যাচ্ছে– কতটা ঠাসা সূচিতে বুঁদ হতে যাচ্ছে ফুটবলবিশ্ব। গ্রুপপর্ব থেকে শীর্ষ দুটি দল যাবে রাউন্ড অব ৩২–এ। বাকি ৮টি স্লট পূর্ণ হবে গ্রুপপর্বের লড়াইয়ে তৃতীয় স্থানে থাকা সেরা ৮ দল নিয়ে। এরপর ক্রমান্বয়ে রাউন্ড অব সিক্সটিন, ৮ দলের কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল এবং ১৯ জুলাই ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।

আসন্ন আসরে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সহজ গ্রুপে পড়েছে। ‘সি’ গ্রুপে ব্রাজিল পেয়েছে মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ডকে। আর্জেন্টিনার ‘জে’ গ্রুপে প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া, আলজেরিয়া ও জর্ডান। ব্রাজিল তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে মরক্কোর (১৪ জুন) সঙ্গে। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপেও দুই দলের গ্রুপে দেখা হয়েছিল, ৩-০ গোলে জিতেছিল সেলেসাওরা। আর বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচ আলজেরিয়ার (১৭ জুন) বিপক্ষে।

পড়ুন- বাস কাউন্টার থেকে নির্ধারিত ভাড়া নেয়া হচ্ছে: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

দেখুন- ইরানের কৌশলে আটকে গেলো ইসরায়েল!

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন