বিজ্ঞাপন

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের জন্য যে ধরনের প্রস্তুতি দরকার তা নিচ্ছে কমিশন।

তিনি জানান, রাজনৈতিক দল ও অন্যান্য স্টেক হোল্ডারদের সাথে মতবিনিময় করবে ইসি। নির্বাচন আয়নার মতো পরিস্কার করতে চায় ইসি। সেপ্টেম্বর এর মধ্যে প্রকিউরমেন্ট, দল নিবন্ধনসহ অন্যান্য সব কাজ শেষ হবে। ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণ চায় ইসি। লেভেল প্লেইং ফিল্ড থাকবে সব দলের জন্য। নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের চিঠি পাওয়ার পর তফসিল ঠিক করবে ইসি। তবে ভোটের দুই মাস আগে তফসিল দেয়া হবে।

বুধবার (৬ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আগে চাপ থাকতো কোন দলের পক্ষে কাজ করার জন্য। এখন চাপ থাকবে নিরপেক্ষ কাজ করার। চ্যালেঞ্জ হলো মানুষদের আস্থায় নিয়ে আসা। ভোটারদের কেন্দ্রে নিয়ে আসা।

বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন করতে ইসির প্রস্তুতি রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, যত কঠিন সময় আসুক না কেন সব কিছু ঠিক থাকবে। চিঠি পাইনি সরকারের তরফ থেকে। তবে চিঠি না পেলেও প্রস্তুতি আছে কমিশনের। ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকেই ভোট হবে। বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। ভোট সবাই দিতে পারবে।

সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য, স্বচ্ছ নির্বাচন করতে রাজনৈতিক দলগুলোর পূর্ণ সহযোগিতা চেয়ে সিইসি বলেন, কমিশনের দায়িত্ব হবে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ঠিক রাখা। নির্বাচনকে আয়নার মতো পরিষ্কার করতে চায় ইসি। বিশ্ববাসীকে দেখাতে চায় নির্বাচন কমিশনের চেষ্টা এবং আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি ছিল না।

ইসি নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক করতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ম্যাসিভ অ্যাওয়ারনেসের মাধ্যমে ভোটের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কাজ করবে ইসি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে জানিয়ে সিইসি বলেন, ভোটের সময় ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।

সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণে কোনো পক্ষপাতিত্ব করা হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, কারো চেহারা দেখে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ হবে না।

রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নিয়ে তিনি বলেন, যারা একেবারেই শর্ত পূরণ করতে পারেনি তাদের চিঠি দেয়ার কোনো প্রয়োজন বোধ করে না কমিশন। তবে যাদের কাগজপত্র ঠিক থাকবে তাদের মাঠ পর্যায়ে যাচাই বাছাই করা হবে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের কাজ সম্পন্ন হবে।

ভোটার তালিকার কাজ শেষ হয়েছে জানিয়ে সিইসি বলেন, আইন অনুযায়ী তফসিলের আগ পর্যন্ত তরুণ ভোটারদের ইনক্লুড করতে পারবে কমিশন।

নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসবে কমিশন উল্লেখ করে তিনি বলেন, একমাসের পরিকল্পনা আছে কমিশনের। শুধু রাজনৈতিক দল নয় সব স্টেক হোল্ডারের সাথে বসবে ইসি।

ইসির চ্যালেঞ্জের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, কেন্দ্রে ভোটার নিয়ে আসা এবং মানুষকে ইসির প্রতি আস্থা ফেরানো চ্যালেঞ্জ। ইসির নিরপেক্ষ কাজেই জনগণের আস্থা ফিরবে।

রাজৈতিক দল নয়, ভোটারদের অংশগ্রহণ থাকলেই অংশগ্রহণমূলক ভোট হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, কেউ চাপ প্রয়োগ করলে পুরো আসনের ভোট বন্ধ করে দেয়া হবে।

তিনি জানান, এআই ব্যবহার করে যাতে কেউ গুজব ছড়াতে না পারে সে ব্যাপারেও উদ্যোগ নিচ্ছে ইসি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : আগামী ফেব্রুয়ারীতেই জাতীয় নির্বাচন : প্রধান উপদেষ্টা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন