এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে হংকং চায়নার বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। দুর্ভাগ্য হামজা চৌধুরীর গোলে লিড নিয়ে ড্রেসিংরুমে যাওয়ার আগে ম্যাচে সমতা ফেরায় হংকং। বিরতির পর ব্যবধানও বাড়ায় তারা। তাতে হংকং এগিয়ে গেছে ২-১ ব্যবধানে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে হংকং লিড নেয়। ৫০ মিনিটে মোহাম্মদ সোহেল রানার ভুল পাস থেকে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। বক্সের বাইরে থেকে সোহেল ব্যাক পাস দেন মিতুলের উদ্দেশ্যে। কিন্তু বলে গতি না থাকায় রাফায়েল মার্কিয়েজ দ্রুত এসে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সহজেই স্কোরলাইন ২-১ করেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার জাতীয় স্টেডিয়ামে শমিত সোম ও জামাল ভূঁইয়াকে ছাড়াই খেলতে নামে স্বাগতিক দল। ৪-৪-২ ফর্মেশনে হংকংয়ের বিপক্ষে লড়াই করেছে। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে ম্যাচ জমে উঠে। যদিও ৬ মিনিটে হংকং ভালো সুযোগ পায়। বাম প্রান্ত দিয়ে ঢুকে ম্যাট অরের শট অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে গেছে। ৯ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে রাকিবের শট গোলকিপারের হাতে জমা পড়ে।
১৩ মিনিটে গ্যালারিতে আনন্দের বন্যা। গোল করে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। হামজা চৌধুরীর ডান পায়ের বাঁকানো ফ্রি-কিক এক ডিফেন্ডারের মাথা ছুঁয়ে গোলকিপারের ওপর দিয়ে জড়িয়ে যায় জালে। এটি লাল সবুজ জার্সিতে হামজার দ্বিতীয় গোল। গত জুনে প্রীতি ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে প্রথম গোল এসেছিল।
লিড নেওয়ার পর হংকংয়ের একজনের জোরালো শট রুখে বাংলাদেশের জাল অক্ষত রাখেন মিতুল মারমা। ২৬ মিনিটে গোলের সুযোগ পেয়েও রাকিবের ক্রসে ফয়সাল আহমেদ ফাহিম মাথা ছোঁয়াতে পারেননি। ৩৯ মিনিটে সুযোগ পায় হংকংও। কিন্তু এভারটনের শট দূরের পোস্ট দিয়ে গেছে।
শেষ পর্যন্ত যোগ করা সময়ে সমতায় ফেরে হংকং। কর্নার থেকে বল ঘুরে আসে এভারটনের সামনে, বক্সের একদম সামনে থেকে ফাঁকায় এই ফরোয়ার্ড আলতো টোকায় মিতুল মারমাকে পরাস্ত করেন।
বাংলাদেশ একাদশ: মিতুল মারমা, কাজী তারিক রায়হান, শাকিল আহাদ তপু, তাজ উদ্দিন, সাদ উদ্দিন, হামজা চৌধুরী, শেখ মোরসালিন, সোহেল রানা, সোহেল রানা জুনিয়র, রাকিব হোসেন ও ফয়সাল আহমেদ ফাহিম।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

