ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সাঈদ হাসান মিন্টু ও যুবদল নেতা নাহিদুল ইসলাম নাহিদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকে আবেদন করা হয়েছে। আবেদনের একটি কপি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে।
বুধবার জমা দেওয়া এই আবেদনপত্রে বলা হয়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেখানে দিন-রাত পরিশ্রম করছেন বিএনপির ইমেজ অখুন্ন রাখতে, সেখানে রাজধানী পুরান ঢাকায় (ঢাকা-৭) আসনে বিএনপিকে ডুবাতে মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি সদস্য সাঈদ হাসান মিন্টু ও যুবদল নেতা নাহিদুল ইসলাম নাহিদ।
রাজধানীর লালবাগ ও চকবাজার এলাকায় অভিযোগের অন্ত নেই এই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অর্থ লুট, চাঁদাবাজি, দখল, মাদকসেবী, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ, মারামারি থেকে শুরু সব ধরনের অপরাধে তার নাম জড়িত। ৫ আগস্টের পর থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাঈদ হাসান মিন্টু ও নাহিদুল ইসলাম নাহিদ একের পর আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর সাঈদ হাসান মিন্টু ও নাহিদুল ইসলাম নাহিদ আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
নির্বাচনের পর বিভিন্ন ব্যক্তির ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মার্কেট এখন মিন্টু-নাহিদ গ্রুপ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
বিভিন্ন মার্কেট এবং বাড়ি দখল করে প্রায় ২০-৩০ লক্ষ টাকা ভাড়া নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ব্যবসায়ীদের মধ্যে এ নিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করলেও প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।
নির্বাচন পরবর্তী সময়ে এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার কথা থাকলেও, এ ধরনের দখলদারিত্বের ঘটনায় সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। মালিকানা বা নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তনের অজুহাতে ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
একের পর এক সংগঠন ও রাষ্ট্র বিরোধী বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত হওয়ার পরেও তাঁদের বিরুদ্ধে কোনোও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। জবাবদিহির আওতায় আনা হচ্ছে না তাদের।
বর্তমান সরকারের সুনামের স্বার্থে ও মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি সদস্য সাঈদ হাসান মিন্টু ও যুবদল নেতা নাহিদুল ইসলাম নাহিদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে দুদক চেয়ারম্যানের মর্জি কামনা করা হয়।
পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার অর্ধেক শেষ, বড় সামরিক ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র
আর/


