বিজ্ঞাপন

মিরপুর বিআরটিএ কার্যালয়ে দালাল চক্রের অবাধ বিচরণ

রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বিআরটিএ কার্যালয়ে দালাল চক্রের অবাধ বিচরণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, অফিসের এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে এখানে প্রকাশ্যেই চলছে নিয়মবহির্ভূত লেনদেন। বিশেষ করে যানবাহনের মালিকানা বদলির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের একটি সিন্ডিকেট গড়ে ওঠার তথ্য পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতিদিন মিরপুর বিআরটিএ-তে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০টি গাড়ি মালিকানা বদলির জন্য আসে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিটি ফাইলের জন্য সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬ হাজার টাকা দাবি করা হয়। এর মধ্যে বড় একটি অংশ সংশ্লিষ্ট অসাধু কর্মকর্তাদের পকেটে যায় এবং অবশিষ্ট টাকা দালালরা ভাগ করে নেয়। হিসেব অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ১২ থেকে ১৩ লক্ষ টাকা এবং মাসে কয়েক কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন হচ্ছে এই খাত থেকে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, গাড়িতে সামান্য ত্রুটি থাকলেও বড় অঙ্কের “চুক্তি” ছাড়া ফাইল ছাড় করা হয় না। এই টাকা আদায়ের জন্য একাধিক ব্যক্তি কালেকশন ম্যান হিসেবে কাজ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবাগ্রহীতা জানান, দালাল ছাড়া কোনো ফাইলে স্বাক্ষর করতে রাজি হন না সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা। এমনকি নির্দিষ্ট কয়েকজন অফিসারের বিরুদ্ধেও টাকা ছাড়া কাজ না করার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। টাকা না দিলে নানা অজুহাতে ফাইল আটকে রাখা হয় বলেও জানা যায়।

বিআরটিএ’র নিয়ম ভেঙে সরকারি অফিসে বেসরকারি লোক দিয়ে কম্পিউটার অপারেটরের কাজ করানোর মতো গুরুতর অনিয়মও চোখে পড়েছে।

এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিআরটিএ-এর চেয়ারম্যান মীর আহমেদ তরীকুল ওমরের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের দাবি, সরকারি এই সেবামূলক প্রতিষ্ঠানটিকে দুর্নীতিমুক্ত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : রাজধানীতে উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন