বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের কারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি ইরানের

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে তেহরান-ওয়াশিংটন আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছানোর পর তিনি এই মন্তব্য করেন।

আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ও অতিরিক্ত দাবির কারণে অগ্রগতি সত্ত্বেও আগের দফার আলোচনা লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। মূলত এখানেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আব্বাস আরাগচির বৈঠক করার কথা রয়েছে। খবর বিবিসি

আরাগচির টেলিগ্রাম চ্যানেলে শেয়ার করা একটি ফারসি সাক্ষাৎকারে দেখা যায়, সেন্ট পিটার্সবার্গে নেমে তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়ে রুশ মিত্রদের সাথে আলোচনা করবেন তিনি।

ইসলামাবাদে মধ্যস্থতাকারীদের সাথে আলোচনার পর আরাগচি রাশিয়ায় পৌঁছেছেন। রাশিয়ায় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, কোন কোন শর্তসাপেক্ষে আলোচনা অব্যাহত থাকতে পারে সেটি নিয়েও কথা হয়েছে। বর্তমানে ইরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার বিষয়টিরও উল্লেখ করেন ইরানের এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে নিরাপদ চলাচল একটি বৈশ্বিক ইস্যু। একইসঙ্গে ওমানসহ প্রতিবেশী দেশগুলোকে এই প্রণালিতে তাদের পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষায় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

ইরান ও ওমানের মধ্যে অনেক বিষয়ে মিল রয়েছে বলেও ইঙ্গিত দেন আরাগচি। এই প্রণালি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে পরবর্তী আলোচনার বিষয়ে একটি চুক্তিও হয়েছে বলে জানান তিনি।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন কর্মকর্তাদের পূর্বনির্ধারিত পাকিস্তান সফর বাতিল করলে চলতি সপ্তাহে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা ব্যর্থ হয়। তেহরানের প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদ ছেড়ে চলে যাওয়ার পরেই গত শনিবার ট্রাম্প ঘোষণা করেন, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের পাকিস্তানের রাজধানীতে বিমানযোগে যাওয়া হবে শুধুমাত্র ‘সময়ের অপচয়’।

মূলত সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের সঙ্গে কয়েক দফায় আলোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এরপর তিনি জানান, যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে ইরানের অবস্থান তুলে ধরেছেন তিনি, তবে যুক্তরাষ্ট্র ‘কূটনীতির বিষয়ে আসলে কতটা আন্তরিক’ তা এখনও দেখার বিষয়।

যদিও গত শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাম্প লেখেন, ‘যদি তারা (ইরান) কথা বলতে চায়, তাহলে তাদের শুধু একটা ফোন করলেই হবে’। মার্কিন রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্ট ইঙ্গিত দেন যে আলোচনার ‘সব কার্ড’ এখন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে, অন্যদিকে ইরানের ‘নেতৃত্বের’ মধ্যে প্রচণ্ড অন্তর্দ্বন্দ্ব ও বিভ্রান্তি বিরাজ করছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : যুক্তরাষ্ট্রে নিহত শিক্ষার্থী বৃষ্টির মরদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন