খুব বেশি রান প্রয়োজন ছিল না। মাত্র ৬ রান হলেই রিজান হোসেন তিন অঙ্কের ঘরে প্রবেশ করতেন। দৌড়ে দুই রান নিতে চেয়ে এক রান পূর্ণ করেছিলেন, দ্বিতীয়টি আর পারেননি। তার স্টাম্প ভেঙে দেন দক্ষিণ আফ্রিকা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের উইকেটকিপার বুলবুলিয়া। ৯৫ রানে আউট হন রিজান। যুব ত্রিদেশী সিরিজের ফাইনালে ৫ উইকেটে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল সংগ্রহ পেল ২৬৯ রানের।
বড় রান পেয়েছেন কালাম সিদ্দিকীও। ৭৫ বলে ৬৫ রান করেছেন তিনি।
হারারেতে টস হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পাওয়া বাংলাদেশ উদ্বোধনী জুটিতে ৪১ রান তুলে। কিন্তু রান অর্ধশতক পূর্ণ হওয়ার আগেই ফিরে যান দুই ওপেনার জাওয়াদ আবরার ও রিফাত বেগ। আবরার ২১ ও রিফাত করেন ১৬ রান। ওয়ানডাউনে নামা আজিজুল হক তামিম মোটেই ইম্প্যাক্ট রাখতে পারেননি, ব্যান্ডাইল মাবাথার শিকার হওয়া এ ব্যাটার ২৮ বলে করেন মাত্র ৭ রান।
কালাদ সিদ্দিকী ও রিজান হোসেন এরপর চাপ তো সামাল দেনই, গড়েন বড়সড় জুটিও। ১১৭ রানের জুটির পর কালাম সাজঘরে ফেরেন। তার ৭৫ বলের ইনিংসে আছে ৬টি চারের মার। রিজান এরপর জুটি বাধেন মো. আবদুল্লাহর সঙ্গে। নিজে হাঁটছিলেন সেঞ্চুরির পথে। কিন্তু ৯৫ রানে আউট হয়ে সেঞ্চুরি মিস করেন। ৯৬ বলে ১০টি চার হাঁকান তিনি।
আবদুল্লাহ ও সামিউন দারুণ দুটি ক্যামিও ইনিংস খেলেছেন। ২৮ বলে প্রথমজন ৩৮ ও ৮ বলে সামিউন ১৩ রান করেন। বায়ান্দা মাজোলা নেন এক উইকেট।
পড়ুন : মাসসেরা ক্রিকেটারের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করল আইসিসি


