২১/০২/২০২৬, ২১:১২ অপরাহ্ণ
25.7 C
Dhaka
২১/০২/২০২৬, ২১:১২ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

রাহেলা জাকিরকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চায় টাঙ্গাইলবাসী

ত্রয়োদশ সংসদে সংরক্ষিত নারী সদস্য হিসেবে রাহেলা জাকিরকে পেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন টাঙ্গাইলের বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষ। স্থানীয় পর্যায়ে বর্তমানে এ বিষয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও আলোচনাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে নারী উদ্যেক্তা হিসেবে বেশ ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি। তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে রাহেলা জাকিরের বেশ পরিচিত রয়েছে। বর্তমানে রাহেলা জাকির নারী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক। তার স্বামী জাকির হোসেন বুরো বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক।

রাহেলা জাকির সমাজকর্মী হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে ট্রেড কোর্সে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর তিনি ব্র্যাক স্কুলে কাজ শুরু করেন এবং সেখানে দীর্ঘ দুই বছর কর্মরত ছিলেন। ১৯৯০ সালে তিনি নারী উদ্যোক্তা হিসেবে তার কর্মসংস্থানমূলক উদ্যোগ শুরু করেন। তিনি তার ব্যবসায় ৫০ জন নারীকে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন। রাহেলা জাকির ১৯৯২ সালে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত, নারী এবং নিরক্ষর জনগোষ্ঠীর সেবা করার জন্য একটি বেসরকারি সংস্থা ‘নুস’ প্রতিষ্ঠা করেন। এটি মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, বিশেষ করে যুবকদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষ, বিশেষ করে নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বিভিন্ন সংস্থার অধীনে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশ নিয়ে তার বাজারমুখী ব্যবস্থাপনা দক্ষতা গড়ে তুলেছেন। রাহেলা জাকির এলাকায় একজন সামাজিক উদ্যোক্তা হিসেবেও সুপ্রতিষ্ঠিত এবং বেশ কিছু সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত।

রাহেলা জাকির ১৯৭৯ সাল থেকে জেলা জাগো দল-এর সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। এছাড়া ১৯৮০ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত জেলা মহিলা দলেরর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ১৯৮৬ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত জেলা মহিলা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক, ১৯৯৬ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত জেলা মহিলা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক, ২০০৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত জেলা বিএনপি-র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এ বিষয়ে রাহেলা জাকির বলেন, বিগত সময়ে দলের জন্য আমি অনেক কাজ করেছি। বিশেষ করে অসহায় নারীদের স্বাবলম্বী করতে আমি ভূমিকা রেখেছি। দল আমাকে যদি সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি নারীদের স্বাবলম্বী করা, এলাকার উন্নয়ন এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আন্তরিকতার সঙ্গে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

তিনি আরো বলেন, আশা করছি দল আমাকে আমাকে মনোনয়ন দেবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : মাড়াইয়ে সাফল্য, চিনিতে ঘাটতি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন