প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুমে ফেরাতে যা যা করা প্রয়োজন, সরকার তা করবে। প্রয়োজনে উপবৃত্তির পরিমাণও বাড়ানো হবে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে মোহাম্মদপুরের বাদশা ফয়সল ইনস্টিটিউটে বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উৎসাহিত করার একটি উদ্যোগ। শিক্ষা ক্ষেত্রে উৎসাহ প্রদানের কোনো প্রক্রিয়াই সরকার বাদ দিতে চায় না।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও শুরু হয়েছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। গত বুধবার (১৫ এপ্রিল) দেশের ৬৪ জেলার সব কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা শুরু হয়। আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রাথমিক গণিত পরীক্ষা।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে। তবে মোট অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা এখনো জানানো হয়নি।
পরীক্ষার সূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ইংরেজি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ গণিত, আগামীকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
অন্যদিকে, পার্বত্য তিন জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ভিন্ন সূচিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেখানে শুক্রবার গণিত, শনিবার বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও বিজ্ঞান, রোববার (১৯ এপ্রিল) বাংলা এবং সোমবার (২০ এপ্রিল) ইংরেজি পরীক্ষা নেওয়া হবে। এসব পরীক্ষার সময়সূচি অপরিবর্তিত থাকবে।
অধিদপ্তরের তথ্যমতে, প্রথম দিনে দেশের ৬১ জেলায় একযোগে বাংলা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে উপস্থিতি ছিল সন্তোষজনক।
সর্বশেষ ২০০৮ সালে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরে ২০০৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) চালু হওয়ায় বৃত্তি পরীক্ষা বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ বিরতির পর এবার আবারও এই বৃত্তি পরীক্ষা চালু হলো।
পড়ুন: দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী


