বিজ্ঞাপন

সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রামে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন: ডিসি জাহিদ

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, দেশের ১৪টি জেলার ১৪টি ওয়ার্ডে পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরের পতেঙ্গা ওয়ার্ডেও এ কর্মসূচি চালু করা হবে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক জানান, নির্বাচিত ওয়ার্ডকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে, যাতে একটি নির্ভুল ও বাস্তবসম্মত তালিকা প্রস্তুত করা যায়। তিনি বলেন, প্রকৃত উপকারভোগীরা—বিশেষ করে অসহায় নারীরা—কোনোভাবেই যেন বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দল-মত নির্বিশেষে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। একটি নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য তালিকা প্রণয়নে জেলা প্রশাসন বদ্ধপরিকর।

নারীর ক্ষমতায়নের প্রসঙ্গ তুলে জেলা প্রশাসক বলেন, বর্তমান সরকার দেশের নারীর ক্ষমতায়নে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ একটি উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি, যা ইতোমধ্যে সারাদেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

তিনি জানান, দেশে প্রায় চার কোটি পরিবার রয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে ৫০ লাখ অতি দরিদ্র পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে একটি নির্ধারিত কমিটি কাজ করবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা যায়।

মনিটরিং ব্যবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, ধাপে ধাপে প্রতিটি কার্যক্রম তদারকি করা হবে। যাতে কোনো ভুল তথ্য তালিকাভুক্ত না হয় এবং কোনো যোগ্য নারী বাদ না পড়েন—সেটি নিশ্চিত করা হবে।

এদিকে, এ বিষয়ে আজ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়-এর সঙ্গে একটি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সভায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত আরও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক।

পড়ুন: নতুন গভর্নর কে এই মোস্তাকুর রহমান?

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন