মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকেই মানুষের কল্যাণে কাজ শুরু করে দিয়েছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। গুরুত্ব বিবেচনায় এনে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের কাজও শুরু হয়েছে।
শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার দাপনাজোড় এলাকায় ঝিনাই নদীর উপর নির্মিত ব্রিজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, সারাদেশেই এ সরকারের আমলে এমন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হবে তা সুফল পেতে পারে। সরকার একেবারে শূণ্য হাতে শুরু করেছে। ড. ইউনুস মাইনাস থেকে শূণ্যতে নিয়ে এসেছিলো। আমরা সেই শূণ্য থেকে শুরু করেছি। কাজেই সরকারের তহবিলে পর্যাপ্ত টাকা নেই। তার পরেও আমরা কর্মকাণ্ড শুরু করে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, উদ্বোধকৃত এই ব্রিজের ফলে মানুষের যাতায়াতের সুবিধা হবে। ভাতকুড়া থেকে নলুয়া পর্যন্ত চারলেনের রাস্তার কথা আমি আমার নির্বাচনের সময়েও বলেছি। আমি এটা নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছি। আশা করি ভাতকুড়া থেকে নলুয়া পর্যম্ত চারলেনের রাস্তা,আরেকটি চিন্তা আমরা করছি বাসাইল বাজারে যে ট্র্যাফিক হয়।এখানে একটা বাইপাস করার চিন্তা করছি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকলিমা বেগম, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবুল কাশেম, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীর, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নূর নবী আবু হায়াত খান নবু প্রমুখ।
ব্রিজ উদ্বোধনের পর মন্ত্রী স্থানীয় বিএনপির কর্তৃক আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখেন।
উল্লেখ্য, ঝিনাই নদীর উপর ২৮২ মিটারের গ্রাডার ব্রিজটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২৯ কোটি ৯৬ লাখ ২৬ হাজার ৭৪৮ টাকা। এই ব্রিজটি নির্মাণ হওয়ায় বাসাইল উপজেলার উত্তরাঞ্চলের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ এখন সরাসরি টাঙ্গাইল জেলা শহরে যাতায়াত করতে পারবে।
পড়ুন : পরিবারের পুরুষ সদস্যদের কাজের চাপ কমাতে তেলের লাইনে নারীরা


