পোশাক খাতের জন্য একটি স্বচ্ছ-জবাবদিহিমূলক বিজিএমইএ গড়ে তুলতে চায় সংগঠনটির নির্বাচনী জোট ফোরাম। নেতারা বলছেন, তারা নেতৃত্ব পেলে, বিজিএমইএ রাজনৈতিক বলয়মুক্ত করা হবে। টেকসই পোশাক খাতের জন্য ৯ দফা নীতি কৌশল ঘোষণা করেছে নির্বাচনী জোটটি।
গত প্রায় দেড় দশক, বাণিজ্য সংগঠনগুলোকে পরিণত করা হয় ক্ষমতাসীনদের ব্যবসায়িক কার্যালয়ে। বিজিএমইএসহ ব্যবসায়ি সংগঠনগুলোর নেতৃত্বে কারা আসবে, তা চূড়ান্ত হতো তৎকালীনদের সবুজ সংকেতে। ফলে, নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন আয়োজন দেখেছেন পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা।
বিজিএমইএ’র বিতর্কিত বোর্ড বিলুপ্ত করেছে অন্তবর্তী সরকার। আগামী ৩১ মে, সংগঠনটির নির্বাচন। নির্বাচন সামনে রেখে, নির্বাচনী জোট ফোরাম দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছে। প্যানেল লিডার বলছেন, তারা নেতৃত্ব পেলে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমুলক সংগঠন উপহার দেবেন।
টেকসই পোশাক খাতের জন্য ৯ দফা নীতি কৌশলের কথাও বলছে ফোরাম নেতারা। তারা বলছেন, ৪৫ বছরের যাত্রায় পোশাক খাত এখনো নানা সংকট মোকাবিলা করছে। ফোরাম দায়িত্ব পেলে, এই খাতের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠাসহ, সংগঠনটিকে অরাজনৈতিক চরিত্র দেয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ফোরাম পরিচালক পদে যাদের মনোনয়ন দিয়েছে, তারা কেউ কেবল কার্ডবাহী পরিচালক হবে না। বরং তারা, গতিশীল ও পরিবর্তনের পোশাক খাতের নেতৃত্ব দিবে। আর প্রত্যেক পরিচালককে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।
শিল্পখাতে যেকোন সংকট মোকাবিলায় ক্রাইসিস ম্যানেচজমেন্ট সেলকে বিকেন্দ্রীকরণ করতে চায় ফোরাম। বিজিএমইএর এবারের নির্বাচনী ফোরাম ও সম্মিলিত পরিষদ পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিয়েছে। তবে, সম্মিলিত পরিষদের আগের নেতারা বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে পলাতক ও অনেকে আইনের আওতায় আছেন।
এনএ/


