বিজ্ঞাপন

হামের প্রাদুর্ভাব: নেত্রকোনায় ৭ দিনে নতুন শনাক্ত ৪১, টিকাদানে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে

নেত্রকোনা জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জোর তৎপরতা চালাচ্ছে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ। একদিকে যেমন প্রতিদিন নতুন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে টিকাদান কর্মসূচিতেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে নেত্রকোনা সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম মাওলা কর্তৃক গণমাধ্যমের কাছে প্রেরিত জেলার হাম পরিস্থিতি ও টিকাদান কর্মসূচির সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে এতথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, গতকাল ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত নেত্রকোনা জেলায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৮ জনে। এর আগে গত ৯ এপ্রিল এই সংখ্যা ছিল ১৭৭ জন। অর্থাৎ, গত এক সপ্তাহে নতুন করে ৪১ জন সন্দেহজনক রোগী তালিকাভুক্ত হয়েছেন।

জেলায় এ পর্যন্ত ১০ জন রোগীর ল্যাব টেস্টে হাম পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। ল্যাব কনফার্ম হওয়া হাম রোগীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত একজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে ।

আক্রান্তদের মধ্যে ১০৭ জন রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬৬ জন রোগী। উন্নত চিকিৎসার জন্য ২০ জন রোগীকে রেফার্ড করা হয়েছে এবং ১১৪ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।

হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জেলাজুড়ে চলমান বিশেষ টিকাদান কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ এপ্রিল থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত জেলায় সাত হাজার ৬৯৯ জনকে হামের টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে স্বাস্থ্য বিভাগ এ সময়ে সাত হাজার ৯৫২ জনকে টিকা প্রদান করতে সক্ষম হয়েছে। অর্থাৎ, লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে টিকাদানের শতকরা হার ১০৩.২৯ শতাংশ।

সর্বশেষ টিকাদানের দৈনিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত ৯ এপ্রিল এক হাজার ১২৩ জন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে এক হাজার ১৫২ জনকে (১০২.৫৮%) এবং ১৫ এপ্রিল ৮০৫ জন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৮৩০ জনকে (১০৩.১১%) টিকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১১ এপ্রিল এক দিনেই সর্বোচ্চ এক হাজার ৬৪১ জনকে টিকা প্রদান করা হয়েছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং শিশুদের সুরক্ষায় স্বাস্থ্যকর্মীরা মাঠে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। যাদের এখনও টিকা নেওয়া বাকি আছে, তাদের দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পড়ুন:জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় বাংলাদেশের

দেখুন:আগুনে যেসব ক্ষতি হলো পিজি হাসপাতালের | 

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন