২৬/০২/২০২৬, ২৩:২৮ অপরাহ্ণ
23.3 C
Dhaka
২৬/০২/২০২৬, ২৩:২৮ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

রূপগঞ্জে চাঁদা না দেয়ায় নির্মাণ শ্রমিকদের উপর হামলা, আহত ২

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পিতলগঞ্জ দাখিল মাদরাসার সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ থেকে দাবীকৃত চাঁদা না দেয়ায় হামলা করে ২ শ্রমিককে রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখমসহ ১ শ্রমিকের হাত ভেঙ্গে দিয়েছে চাঁদাবাজরা। গতরাত ৯ আগষ্ট শনিবার রাতে পিতলগঞ্জ দাখিল মাদরাসা ভবনে এমন ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী হামলার শিকার হওয়া নির্মাণ শ্রমিক জুয়েল জানান, তারা গত ১ মাস ধরে মাদরাসার সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে আসছিলেন। নির্মাণ স্থলে ঠিকাদারকে না পেয়ে শ্রমিকদের কাছে একই এলাকার সালাহউদ্দিনের ছেলে সাদিকুর ( ২৩) আব্দুল কাদিরের ছেলে হারুন(৪০)সহ একটি চাঁদাবাজ চক্র ঠিকাদারের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা নিয়ে দিতে দাবী করে। এ সময় তা দিতে অস্বীকার করলে গত রাত অনুমান ৮ টার দিকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শ্রমিকদের থাকার স্থানে এসে এলোপাতাড়ি হামলা করে দুজনকে আহত করে। এ সময় শ্রমিক রাসেলের বাম হাত রড দিয়ে আঘাত করে ভেঙে দেয়। পরে চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে হামলাকারীরা শ্রমিকদের কাছে থাকা টাকা পয়সা,মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যায়।

মাদরাসা এডহক কমিটির সভাপতি মোঃ রনি ভুঁইয়া বলেন, ঘটনা শুনে আমরা সিসি টিভি ফুটেজ দেখে নিশ্চিত হই সাদিকুর ও হারুনসহ একটি সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজদল শ্রমিকদের উপর হামলা করে। এরা মুলত স্থানীয় বাসিন্দা ফারুক,রেহানউদ্দিন,বাবুলদের শেল্টারে মাদরাসায় চাঁদাবাজি করতে আসে। আমি এসেও বাবুলকে ঘটনাস্থলের পাশে অবস্থান করতে দেখেছি। বিষয়টি পূর্বাচল আর্মি ক্যাম্প ইনচার্জকে ও রূপগঞ্জ থানাকে অবহিত ও অভিযোগ করেছি। ঘটনার বিচার চাই।

অভিযুক্ত সাদিকুরের পিতা সালাহউদ্দিন মোল্লা বলেন, ঘটনাটি মাদরাসা কমিটির দ্বন্দ্ব ও সীমানা প্রাচীরের পাশে একটি রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে আমার ছেলে শ্রমিকদের কাছে যেতে পারে। এটি চাঁদাবাজির ঘটনা নয়। বরং আমরা ব্যবসা করে জীবিকা চালাই। আমার ছেলেও ব্যবসায়ী।

এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনা তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: রাষ্ট্রকাঠামোর ৩১ দফা নিয়ে রূপগঞ্জে কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা দুলাল হোসেনের উঠান বৈঠক

এস/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন