বিজ্ঞাপন

জাকসুর আচরনবিধি লঙ্ঘন করে বহিরাগতদের প্রোগ্রাম; নির্বাচন কমিশনের নেই কোন পদক্ষেপ

তফসিল অনুযায়ী আগামী ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ( জাকসু) নির্বাচন। ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে নির্বাচনের আচরণবিধি। আচরণবিধি লঙ্ঘন করেই ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে বহিরাগতরা কিন্তু এবিষয়ে নির্বাচন কমিশনের নেই কোন পদক্ষেপ।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২৬ আগষ্ট) বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে ‘প্রাক্তন জাতীয়তাবাদী শিক্ষার্থী ফোরাম’র উদ্যোগে  সাবেক ছাত্রদল নেতা মরহুম হাবিবুর রহমান কবিরের মাগফেরাত এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এসময় ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে জাকসু নির্বাচনের আচরণনিধির ৭ নং বিধির ক এবং খ ধারায় নির্বাচনী সভা-সমাবেশ ও মিছিল সংক্রান্ত বিধি-নিষেধ সম্পর্কে বলা আছে- (ক) ক্যাম্পাসে যে কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে। এবং (ঘ) ধারায় বহিরাগতদের সম্পর্কে আলা হয়েছে  “বৈধ ভোটার ও প্রার্থী, বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ব্যতীত অন্য যে কেউ বহিরাগত হিসেবে বিবেচিত হবেন।

অন্য দিকে গত ১৯ আগস্ট বিশ্বিবদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এবিএম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বলা হয়,’ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন-২০২৫ উপলক্ষ্যে ক্যাম্পাসে নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আগামী ২০-০৮-২০২৫ থেকে ১৩-০৯-২০২৫ ইং তারিখ পর্যন্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সকল ধরনের অনুষ্ঠান, সভা-সমাবেশ, কর্মসূচি এবং মটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আয়োজনের বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন বাবর বলেন, এটি শাখা ছাত্রদলের কোন প্রোগ্রাম বা কর্মসূচী ছিল না। আমরা ওখানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলাম।

জাকসু নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, আমাদের (নির্বাচন কমিশন) কাছে কেউ কোন অনুমতি নেয়নি। তবে ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের থেকে অনুমতি নিয়েছেন। আর সাবেক শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে দোয়া মাহফিল করেছেন ; এতে আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়নি। এটা দোয়া মাহফিল ছিল; রাজনৈতিক প্রোগ্রাম ছিল না।

কিন্ত ৭ নং বিধির (ঘ) ধারা অনুসারে ‘জাতীয়তাবাদী প্রাক্তন শিক্ষার্থী ফোরাম’র সদস্যরাও বহিরাগত হিসেবে বিবেচিত হবেন। এবং (ক) ধারা অনুসারে রাজনৈতিক অরাজনৈতিক সকল ধরনের সভা -সমাবেশ বন্ধ থাকবে।

অন্য ফোন কলে এ কে এম রাশিদুল আলম আবার বলেন, আমাদেরকে একজন ডিন ফোন দিয়ে মসজিদে মিলাদ মাহফিল আয়োজনের অনুমতি চেয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষিতেই আমরা তাদেরকে মসজিদে এটি করতে অনুমতি দিয়েছি। তবে আমাদের কাছে কোনো লিখিত আবেদন আসেনি।

এবিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, তাদের প্রোগ্রামের বিষয়ে আমি অবগত নই, এখন জানলাম। নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের সাথে এ বিষয়ে কথা বলবো।

পড়ুন: কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন১০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে

দেখুন: আনার হ*ত্যা: ঝিনাইদহ, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামে ডিবির অভিযান

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন