কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ এলাকায় রাজনৈতিক কোন্দলের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় মোঃ মজিবর রহমান,রবিউল ইসলাম রনি, জাকির হোসেন ফজু, আরিফ হোসেন ও খায়রুল ইসলাম নামে একাধিক ব্যাক্তি গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।হামলায় জাকির হোসেন ফজু’র মাথায় গুরুতর জখম ও আরিফ হোসেনের পায়ের রগ কেটে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা।বর্তমানে আহতরা রংপুর ও ঢাকায় চিকিৎসাধীন আছেন।এ ঘটনায় নাগেশ্বরী থানায় একটি মামলা হয়েছে।
গতকাল ২অক্টোবর রাতে রায়গঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মামলা সুত্রে জানা গেছে,নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এ মাংস বিক্রেতা মকবুল হোসেনের দোকানের পাশে মোঃ খায়রুল ইসলাম ও রবিউল ইসলাম অবস্থান করলে নিম্নোক্ত আসামীগণ পরিকল্পিতভাবে ধাঁরালো অস্ত্র, লোহার রড ও রামদা নিয়ে অর্তকিত হামলা চালায়।
হামলায় মোঃ মজিবর রহমান, জাকির হোসেন ফজু, আরিফ হোসেন, মোঃ খায়রুল ইসলাম ও রবিউল ইসলাম গুরুতর আহত হন।পরে আসামীরা আহতদেরকে জোর পূর্বক টেনে হেঁচড়ে নিজ বাড়িতে আটকে রাখে।এমন সংবাদে আরিফ হোসেন আহতদের উদ্ধার করতে গেলে যুবদল থেকে অব্যহতি নিয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করা আরিফুরজ্জামান দ্বীপ মন্ডলের হাতে থাকা রামদা দিয়ে প্রকাশ্যে আরিফের ডান পায়ের গোড়ালির রগ কেটে দেয়।
এ অবস্থা দেখে মজিবর রহমান সরকার ও জাকির হোসেন ফজুকে রক্ষা করতে গেল বাপ্পি মন্ডল ও মুরাদ মন্ডলের হাতে থাকা লোহার রড দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে মাথা বরাবর আঘাত করে।এতে মজিবর রহমান সরকার ও জাকির হোসেন ফজু’র মাথায় মাঝ বরাবর লেগে গুরুতর রক্তাক্ত ফাটা জখম হয়।
আঘাতে আরিফ সরকার সহ মজিবর রহমান সরকার ও জাকির হোসেন ফজু মাটিতে পড়িয়া জীবন বাঁচানোর জন্য ডাকচিৎকার করিলে সকল আসামীগন মৃত্যু নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তাহাদের গলা চাপিয়া ধরে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করে পালিয়ে যায়।পরে স্থানীয় ও স্বজনরা আহত আরিফ ও ফজুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর ও ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।
এদিকে এদিকে প্রতিপক্ষ আরিফুজ্জামান দ্বীপ মন্ডলের উপর হামলা ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করার অভিযোগ এনে নাগেশ্বরীতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে স্থানীয়রা।
নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ রেজাউল করিম জানান, এ ঘটনায় একটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। যার মামলা নং-৪। এ বিষয়ে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

